আওয়ামী লীগের নেতা হানিফকে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করল প্রসিকিউশন
হ ন ফসহ চ র পল তক – রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক প্রস্তুত করে আদালতের কক্ষে এই আবেগজনক আবেদন পেশ করা হয়। চার পলাতক আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল জুলাই আন্দোলনের ঐতিহাসিক মামলা শুনছে।
পলাতক আসামিদের তথ্য প্রসিকিউশনের প্রধান তর্কের মূল তথ্যসমূহ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার নেতাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে প্রসিকিউশন। এই মামলার অন্য তিন আসামি হলেন—কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।
“কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন বৈধ ছিল। কিন্তু সেটা সরকার মানতে চাইল না। সরকার অ্যাকশনে গেল।”
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের নৃশংসভাবে হত্যার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঐ আন্দোলনে সমর্থন দেয় এবং এটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরও দাবি করেন, পরে সরকার উন্মাদ হয়ে যায় এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে থাকে।
ট্রাইব্যুনালের কাছে আইনানুগভাবে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করার জন্য পলাতক আসামিদের অনুপস্থিতিতে প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম তর্ক পেশ করেন। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জন তাজা প্রাণহানির সাথে সাথে মোট তিনটি সুনির্দিষ্ট ও বর্বরোচিত অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে চার নেতার বিরুদ্ধে।
তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চার নেতা ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলার নির্দেশদাতা ছিলেন না, বরং সরাসরি তাদের অংশগ্রহণ করেছিলেন। বর্তমানে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়টি আদালতের নথিতে উঠে আসে।