সোনম ওযংচুকের হাসপাতাল স্থানান্তরের আবেদন
স নম ওয চ কক হ সপ – সোনম ওযংচুকের হাসপাতাল স্থানান্তরের আবেদন প্রসঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. গীতাঞ্জলি আংমো দিল্লি হাইকোর্টে প্রতিবাদ জানান যে, তিনি সাত দিনের অনশনের পর সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ওযংচুকের স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন দায়ে রয়েছেন। কিন্তু রবিবার বিশেষ শুনানি পর্বে আদালত ওযংচুকের আবেদন গ্রহণ করেন নি।
পরিবারের আবেদন ও আদালতের প্রতিক্রিয়া
আদালত ঘোষণা করেন যে, ওযংচুকের শরীরে পানিশূন্যতা এবং ইলেক্ট্রোলাইটের অস্থিতিশীলতা দেখা দিলে সাত দিনের অনশনের পর তাঁকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা যাচ্ছে। তবে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ওযংচুকের চিকিৎসা স্থানান্তর করা হবে না। ডা. গীতাঞ্জলি অভিযোগ করেন যে, ওযংচুক যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ অনশন করছেন, কিন্তু আদালতের বিপরীতে তাঁকে বাধ্য করা হচ্ছে।
গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারের বারবার অনুরোধ শুনেও সোনম ওযংচুককে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করার অনুমতি দিচ্ছে না। তিনি আরও জানান, হাসপাতাল চত্বরে বিপুল পুলিশ মোতায়েন থাকায় ওযংচুক কার্যত নজরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
হাসপাতাল ও সরকারি সূত্র অনুযায়ী দীর্ঘ অনশনের কারণে ওযংচুকের শরীরে পানি সম্পর্কিত অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ক্ষতির আশঙ্কা থাকায় স্থানান্তর করার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এই সিদ্ধান্ত তৈরি করার জন্য ডাক্তারদের পরামর্শ গৃহীত হয়েছে।
দিল্লি হাইকোর্টে ওযংচুকের আবেদন শুনানি পর্বে পরিবারের আপোষ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। আদালত অভিযোগের প্রতি আন্তরিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং সোনম ওযংচুকের স্বাস্থ্য অবনতির জন্য হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্তকে স্বেচ্ছাচারী বলা যায় না। তবে আদালত আরও স্বাস্থ্য রিপোর্ট আবেদনের জন্য তিন দিনের মধ্যে তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
ওযংচুকের হাসপাতাল স্থানান্তরের আবেদন প্রসঙ্গে অনুমোদনের অভাব প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সরকার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংকট বৃদ্ধি পেলে তাঁকে স্থানান্তর করার কথা নিয়ে বিতর্ক চলছে। সোনম ওযংচুকের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাঁকে স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে হাইক