সাভারে বিস্ফোরণের আগে ‘বিদ্যুৎ উধাও’, সন্দেহে তদন্ত কমিটি
স ভ র ব স ফ রণ – সাভারে বিস্ফোরণ ঘটনার আগে সাভার বিস্ফোরণ ঘটনার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার ঘটনাকে সন্দেহের মুখে তুলে ধরেছে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। সমাবেশে বিস্ফোরণ ঘটার কিছুক্ষণ আগে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার ঘটনা বিশেষ করে তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য সন্দেহের বিষয়টি উঠে আসে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাভার বিস্ফোরণ স্থল পরিদর্শনে এসে তিনি ঘটনার কথা বলেন।
বিস্ফোরণের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়া
এনসিপি নেতাদের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল বলে জানান পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। তিনি জানান, বক্তৃতা চলাকালে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার ঘটনাকে সন্দেহের মুখে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য আহতদের অবস্থা এবং ঘটনার সঠিক সময় অনুসন্ধানের জন্য মূল কারণ খুঁজতে হবে। পুলিশ সুপার জানান, এনসিপি সমাবেশের পরিকল্পনা ছিল দুপুর ৬টা থেকে, কিন্তু সময় বদলে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে সভাস্থলে আসে।
‘বিস্ফোরণ ঘটার আগে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছিল। এটি অবশ্যই নির্দেশিকা মূলক বিষয়। কিছুক্ষণ পরে ঘটনার সংঘটন হয়।’ এসপি শামীমা পারভীন এর দিকে কথা বলেন। তিনি আরও জানান, সাভার বিস্ফোরণ স্থল পরিদর্শনে এসে তদন্ত কমিটি কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার সময় সাভার বিস্ফোরণ স্থলে বক্তৃতা চলছিল। এনসিপি শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আহতদের অবস্থা ক্রমাগত নজরে রাখা হচ্ছে। এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সাভার বিস্ফোরণে চারজন আহত হয়েছেন।
তদন্ত কমিটি কাজের প্রক্রিয়া
ঢাকা জেলার দুইজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন— প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান ও সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ। কমিটি আহতদের জন্য চিকিৎসা সহায়তা করছে এবং ঘটনার তদন্ত করছে।
‘বিস্ফোরণ ঘটার কারণ খুঁজতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়া একটি বিষয় যে সাভার বিস্ফোরণ স্থল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহ তুলে ধরেছে। এটি বিশেষ করে সাভার বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ