সিএনজি স্টেশন মালিকদের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে
Banglabeacon.com – স কট স এনজ স ট শন – বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধির সমন্বয়ে কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে সিএনজি স্টেশন মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। বারবার দাবি পেশ করা হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি বলে আগামী ৩০ জুলাই প্রতীকী ধর্মঘটের ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সময়ে সরকারের সাথে আলোচনা চালু থাকবে বলে জানানো হয়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজিত সভায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে চারটি দাবি তুলে ধরা হয়। প্রথম দাবিতে সিএনজি কমিশন প্রতি ঘনমিটারে ৮ টাকা থেকে ন্যূনতম ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করা হবে। দ্বিতীয় দাবি হলো যদি ভবিষ্যতে সিএনজি উৎপাদনে যেকোনো জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তবে সেই বৃদ্ধির সাথে কমিশন ও মার্জিন আনুপাতিক ভাবে সমন্বয় করা যাবে।
তৃতীয় দাবিতে পুরনো গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন করে বর্ধিত জামানত জমা নেওয়া প্রথা বাতিল করা হবে। চতুর্থ দাবি হলো সড়ক ও জনপথের ভূমি মাশুল ও সংযোগ সড়কের ইজারা সহ সকল সরকারি দপ্তরের লাইসেন্স ফি এবং নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো হবে।
সরকার দীর্ঘ এক দশক ধরে কমিশন বৃদ্ধির প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। এর ফলে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ও পরিবহন খাত বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও সিএনজি স্টেশন মালিকরা বর্ধিত উৎপাদন খরচ গ্রাহকদের ওপর চাপ পাঠাতে পারছেন না।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা মন্তব্য করেন, সিএনজি ক্রয় ও বিক্রয়মূল্য সরকারিভাবে নির্ধারিত থাকায় সিএনজি খাতের বর্তমান কমিশন বৃদ্ধি দাবি নতুন নয়। গত ২০১৫ সাল থেকে সরকার সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন বৃদ্ধি সুপারিশ করেছিল তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) তা দীর্ঘ এক দশক ধরে রহস্যজনকভাবে ফাইলবন্দি করে রেখেছে।
আগামী ২৩ আগস্ট থেকে যদি কোনো সমাধান না পাওয়া যায়, তবে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে আকরাম টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলনে আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্ত, মহাসচিব ফারহান নূর সহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতিটি সিএনজি স্টেশনের মাসিক বিদ্যুৎ বিল এক-পঞ্চমাংশ (২০%) ব
