যাদুকাটায় বালু খেকোদের থাবা, হুমকিতে শিমুলবাগানসহ ২০ গ্রাম
য দ ক ট য় ব ল – তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর তীর কেটে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পর্যটন কেন্দ্র শিমুল বাগান, নির্মাণাধীন সেতু এবং কমপক্ষে ২০-২৫টি গ্রাম এখন বিলীন হওয়ার পথে। স্থানীয় অভিযোগের মতো একটি শক্তিশালী চক্র নদীর তীর কেটে বালু তুলছে যে কারণে এই সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থানটি আর চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করে এই শিমুল বাগানটি বসন্ত মৌসুমে প্রতি বছর জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমানে যাদুকাটা নদীর তীর বিপর্যয়ের কারণে বাগানটি নদী গর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাগানের পাশাপাশি এই নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুও গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছে। এই সমস্যার পরিচয় দেওয়ার জন্য সেতুর ৫টি গার্ডার ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘শিমুল বাগান এবং সেতুর রক্ষার জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপ দরকার। পুলিশ ক্যাম্প ও কোস্টগার্ড নিয়োগের জন্য আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি।’
যাদুকাটা নদীর ইজারাদার শাহ রুবেল ও নাসির মিয়া বলেন, তারা বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আসছেন এবং স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছেন। সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ভূমি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শিমুল বাগানের বর্তমান মালিক রাখাব উদ্দিন বলেন, ‘আমার বাবার তিল তিল করে গড়ে তোলা এই বাগান বালু খেকোরা ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রশাসনকে বারবার জানানোর পরও বালু সিন্ডিকেট থামছে না।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান জানান, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক নিজেও অভিযান পরিচালনা করার কথা জানান।
ঘাগটিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাফিয়া বেগম অভিযোগ করেন, রানু মেম্বার তার বাহিনী নিয়ে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে বালু লুট করছে। কেউ বাধা দিলে মারধর ও অগ্নিসংযোগের হুমকি দেওয়া হয়।
বালু খেকোদের বিরুদ্ধে ঘোষিত হুমকি ও অপরাধের প্রতিক্রিয়া স্থানীয় সচেতন মহল প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্�