Bangladesh

মুক্তিপণ না দেওয়ায় লিবিয়ায় অপহৃত যুবককে হত্যা

মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় লিবিয়ায় অপহৃত যুবককে হত্যা করা হয়েছে ম ক ত পণ ন দ ওয - বাংলাদেশি যুবক আলমগীর হোসেন (৪৫) কর্মস্থল থেকে বাইরে নেওয়ার পর দীর্ঘ সাত

Desk Bangladesh
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় লিবিয়ায় অপহৃত যুবককে হত্যা করা হয়েছে

ম ক ত পণ ন দ ওয – বাংলাদেশি যুবক আলমগীর হোসেন (৪৫) কর্মস্থল থেকে বাইরে নেওয়ার পর দীর্ঘ সাত বছর ধরে পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ গ্রহণ করছিলেন। তিনি মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় লিবিয়ায় অপহৃত হওয়ার পর আড়াই মাস পর হত্যা করা হয়েছে। তার পরিবার সূত্রে খবর পেয়েছেন যে তিনি ত্রিপোলির কর্মস্থল থেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছেন।

যুবকের প্রতিবেশী ও কুটুম্বের প্রতিক্রিয়া

আলমগীর হোসেন ছিলেন নিউগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার নুরুল্লাবাদ গ্রামে অবস্থিত দিদার বক্স খাঁনের ছেলে। তার পরিবারের সদস্যদের মতে, তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার সময় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে অপহৃত হন। সেখানে তাকে মুক্তিপণ দেওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসাবে সেই গোষ্ঠী তার সাথে আরও ৩১ বাংলাদেশিকে জিম্মি করে রেখেছিল। পরে তিনি এক মাস আগে মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য প্রাপ্ত হয়।

“আমার স্বামী ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় তিনি আমাদের জন্য অবশেষে শেষ হয়ে গেছেন।”

মুক্তিপণ দাবি ও নৃত্যাস্তরের প্রক্রিয়া

আলমগীরের ভাই ও লিবিয়া প্রবাসী জিল্লুর রহমান জানান, পরিবার তার উদ্ধারের জন্য দূতাবাসে যোগাযোগ করেছিল। সন্ত্রাসীরা আলমগীরকে সাথে নিয়ে গেছিল এবং পরবর্তী সময়ে তার মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এটি পূরণ করতে পারা যায়নি বলে তিনি হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

তার স্ত্রী শাহিনা আক্তার জানান, “আমার স্বামী ছিলেন পরিবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় তিনি আমাদের জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছেন।” তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে মৃতদেহটি দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত আনার দাবি জানিয়েছেন।

তার কুটুম্ব এবং এলাকাবাসী তথ্য প্রাপ্ত হয়েছেন যে আলমগীরের মৃতদেহটি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং বাংলাদেশ দূতাবাস প্রার্থনা করেছে। মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় এ ঘটনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে গুরুতর চিন্তা জাগাচ্ছে।

বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানানো হয়েছে যে আলমগীরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় তিনি হত্যা করা হয়েছে বলে দূতাবাসের কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ করছেন। তাদের মতে, লিবিয়ায় অপহৃত বাংলাদেশি কর্মীদের বেশ কিছু পরিস্থিতি পরিস্থিতি আছে যা মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় ঘটে।

বাংলাদেশে আলমগীরের পরিবার তার হত্যার খবর পেয়ে শোক প্রকাশ করেছে। তারা মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করছেন। সাথে সাথে তারা আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও মিডিয়া চর্চা শুরু করেছে। লিবিয়ায় অপহৃত যুবকের মুক্তিপণ দেওয়া না হওয়ায় ঘটে থাকা বিষয়টি এখন আরও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে।

Leave a Comment