পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দর্শকের হৃদয়ে নূতন | সংবাদ
প চ দশক র ব শ সময় – বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের একটি চূড়ান্ত স্থান অধিকার করেছেন নূতন অভিনয় জীবনের ৫৫ বছর পূর্ণ করেছেন। তার সফল ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে নয়, দেশের সিনেমা সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
ব্রাহ্মপল্লীর মেয়ে হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন নূতন। এর আগে সুমিতা দেবী পরিচালিত ছবিতে তার প্রথম আসর হয়। ছবির নাম নূতন হিসেবে নির্ধারিত হয় ‘নতুন প্রভাত’ সিনেমায়। এই ছবির মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় প্রথম আসেন।
সাফল্যের চূড়ান্ত প্রমাণ
নূতনের অভিনয় জীবনের সাফল্যের একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘ওরা এগারোজন’। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত সিনেমাটি তার জনপ্রিয়তার সূচনা করে। এই ছবিতে তার অভিনয় কাজটি তিনি নিজের সেরা কাজগুলোর একটি বলে মনে করেন।
চলচ্চিত্রে ৫৫ বছরের পথচলা প্রসঙ্গে নূতন বলেন, দর্শকদের ভালোবাসা ও সম্মানই তার সবচেয়ে বড় অর্জন। এত বছর পরও মানুষের আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধা তাকে আবেগাপ্লুত করে এবং শিল্পীজীবনের প্রাপ্তিগুলোকে আরও অর্থবহ করে তোলে।
ব্যক্তিগত কারণে তিনি ক্যারিয়ারের আরও বেশি দীর্ঘ সময় অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। তারপর পাগলা রাজা ছবিতে তিনি আবারও চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন। এই প্রত্যাবর্তনের পর তার সাফল্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও তার স্থান রয়েছে। তার প্রযোজিত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘চান সুরুজ’, ‘কাবিন’, ‘সাহস’, ‘রূপের রানী গানের রাজা’, ‘নাচে নাগিন’ এবং ‘শত্রু ধ্বংস’।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় ছবি। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো ‘বদনাম’, ‘লাইলী মজনু’, ‘প্রাণ সজনী’, ‘সোনা বউ’, ‘ধর্ম আমার মা’, ‘আদিল’, ‘নীতিবান’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘আব্দুল্লাহ’ এবং ‘আঁখি মিলন’।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র �