Bangladesh

​মাশহাদে সমাহিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, ইরানের এক অনন্য অধ্যায়ের সমাপ্তি

মাশহাদে সমাহিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, ইরানের এক অনন্য অধ্যায়ের সমাপ্তি ম শহ দ সম হ ত আয় - ইরানের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসের একটি মহান পর্বের অবসান

Desk Bangladesh
Published July 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মাশহাদে সমাহিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, ইরানের এক অনন্য অধ্যায়ের সমাপ্তি

ম শহ দ সম হ ত আয় – ইরানের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসের একটি মহান পর্বের অবসান ঘটেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তার জন্মস্থান মাশহাদের মাটিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিশ্বখ্যাত বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত হয়।

পবিত্র মাজারে শেষ সমাধান

খামেনির মৃতদেহ ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হন। বিপ্লবী ও প্রতিরোধকামী স্লোগান সহ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের হাতে। এ সময় শহরের প্রধান সড়�গুলোতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না।

বিশ্বখ্যাত বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রাক-শোক কার্যক্রম

খামেনির প্রান্তিক কার্যক্রম তিন দিনের জন্য বিস্তারিত হয়। ইরানের চারটি মাননীয় শহরে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার পরিবারের অপর চার সদস্যকেও শ্রদ্ধার্থে দাফন করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার ও এরপর বিশেষ ঘটনা

গত ৯ জুলাই মাশহাদে তার মৃতদেহ নিয়ে সড়কে উপস্থিত হয় জনসমাগম। তিনি চার মাস পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর তার পূর্বে কোনো নতুন ছবি বা ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি তেহরানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে মৃতদেহ রাখা হয় তেহরানের ঐতিহ্যবাহী গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে। মাঝেমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিছিল আয়োজন করা হয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে আজাদি স্কয়ার পর্যন্ত।

নতুন নেতা ঘোষণার ঘটনা

বাবার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর মার্চের শুরুতে ধর্মীয় পরিষদের সিদ্ধান্তে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত একবারও জনসমক্ষে আসেননি।

মাশহাদে সমাহিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের রাজনৈতিক পরিচালনায় মূল ভূমিকা পালন করেন। তিনি সমর্থকদের কাছে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়তার প্রতীক ছিলেন, সমালোচকদের কাছে বিতর্কিত শাসক হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন।

Leave a Comment