মাছের খামারে বিষের থাবা: নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মিঠা পানির মাছ
ম ছ র খ ম র ব – বাংলাদেশের মৎস্য খাতে অযৌক্তিকভাবে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটের সূচনা করছে। সরকারি ও বিশেষজ্ঞদের অনুমান অনুসারে, মাছের রোগ প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত অপ্রাপ্তি ও অসচেতন খামারি গবাদি পশুর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এই ওষুধগুলো। ফলে বিশ্বব্যাপী অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স বা এএমআর সৃষ্টি হচ্ছে যার কারণে মানুষের শরীরেও অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ কমে আসছে।
রোগমুক্ত মাছ সংরক্ষণের প্রকল্প শুরু হলো
বিএফআরআই কর্মকর্তারা বলেন, পুকুরে রোগ ছড়ানোর মাত্র ৫ থেকে ১২ দিনে পুরো ৮০ থেকে ১০০ শতাংশ মাছ মারা যাচ্ছে। পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, শিং ও মাগুরে সংক্রমণের হার শতাংশে ৬১%, গুলশা ও পাবদায় ৪২%, তেলাপিয়ায় ৩৮%, পাঙ্গাসে ৩৬%, কার্পে ১৮% হিসাবে দেখা দিচ্ছে। প্রতিবেশী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর দেশীয় ভ্যাকসিন তৈরি করার উদ্যোগে সরকার সমন্বিত কাজে সম্প্রতি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“দেশে মৎস্য খাতে বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে। এই খাতের উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার মাধ্যমে অবদান রাখতে হবে। সরকার তাদের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সম্মানিত করবেন।”
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন, মানুষের দৈনিক খাদ্য তালিকায় থাকা মিঠা পানির মাছকে রোগমুক্ত ও টেকসই ভাবে সংরক্ষণের জন্য ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার ও জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা প্রাকৃতিক মাছের প্রজাতির লোকসান এবং সম্পূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত প্রাণী সম্পদ সংরক্ষণ জরুরি।
প্রাকৃতিক মাছের আপন স্বর্গভূমি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে
বর্তমানে প্রাকৃতিক জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশগত কারণে। এ কারণে দেশীয় মাছের প্রজাতি বিলুপ্তির সম্ভাবনা বাড়ছে। পানির গুণগত মান বিপর্যয়ের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যদি পানিকে মাছের উপযোগী করে তুলতে পারা যায়, তবে মাছের রোগবালাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
১৯৩০ সাল থেকে চালু হয়েছে ভ্যাকসিন ব্যবহার
বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিনের ব্যবহার ১৯৩০ সাল থেকে শুরু হয়। সেই ইতিহাসকে বুকে ধারণ করে এবার বিএফআরআই শুরু করেছে একটি প্রকল্প যার উদ্দেশ্য হলো মিঠা পানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন। পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, গুলশা, টেংরা, পাবদা ও শিং মাছের ক্ষতিকর কারণগুলো সুনির্দিষ্ট করে ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ ও মলিকুলার পদ্ধতিতে পরীক্ষা ক