জালিয়াতি শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন, গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে বসেছে | সংবাদ
ব সরক র স ক ল শ – রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে নিয়োগ হওয়া শিক্ষকদের সনদ ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঢাকার বেসরকারি স্কুলগুলোতে অস্বচ্ছতা ও জালিয়াতি কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মে মাস থেকে সারা দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে যার মাধ্যমে প্রায় অর্ধশত শিক্ষকের সনদ পরীক্ষা করা হয়েছে। গোয়েন্দারা আনুমানে অন্তত ১২ জন শিক্ষকের নথিপত্র জালিয়াতি তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কম্পিউটার শিক্ষকদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে তারা নিজেদের সনদ তৈরি করে দীর্ঘ সময় চাকরি করছেন।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে রাজনৈতিক প্রভাব চলছিল যার ফলে বেসরকারি স্কুলে নিয়োগের সাথে সাথে সনদ জালিয়াতি হচ্ছিল। গোয়েন্দারা দেখছেন শিক্ষকদের বায়োডাটা ও সার্টিফিকেট কে খুঁজে বার করতে গিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের তথ্য উপলব্ধি করছেন। অনেক শিক্ষক আইনি সমস্যা থেকে পালিয়ে চাকরি ছেড়েছেন বা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন। আগস্ট মাসে শেখ হাসিনা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে নিয়োগ কার্যক্রম পুনঃপ্রারম্ভ হয়েছে যার ফলে বেসরকারি স্কুলগুলোর চিত্র পরিবর্তন হয়েছে।
তদন্তের প্রাথমিক ধাপ
রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা থানা পর্যন্ত অনুসন্ধান চলছে। সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “বেসরকারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতা ও জালিয়াতি তথ্য নিশ্চিত করতে কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি অনিয়মের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে রিপোর্ট উচ্চপর্যায়ে পাঠানো হবে।” তিনি আরও বলেন, “অযোগ্য শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ হুমকিতে পড়বে।”
“বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ প্রাপ্তদের কারণে লেখাপড়া ও শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের উপকৃত হবে যদি অযোগ্য ও জালিয়াতি কর্মীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
অপরাধ বিশেষজ্ঞদের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তিনি। ডিআইজি বলেন, “যে সব স্কুলে শিক্ষকরা অনিয়মের মাধ্যমে চাকরি নিয়েছেন তাদের বিশদ তদন্ত করে বেতন-ভাতা ফেরত নেওয়া ও মামলা করা দরকার। শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের রাজনৈতিক প্রভাবের পর ছাত্রদেরকে পড়াইতে হবে।”