Bangladesh

বিলুপ্তির পথের বাঁশির সুরের শেষ প্রহরী জগদীশ

বিলুপ্তির পথের বাঁশির সুরের শেষ প্রহরী জগদীশ চরফ্যাশনে বাঁশির সুরের সংঘর্ষ ও জগদীশের জীবন সংগ্রাম ব ল প ত র পথ র - বর্তমান যুগে যান্ত্রিকতার জঘন্য আঘাতে

Desk Bangladesh
Published June 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিলুপ্তির পথের বাঁশির সুরের শেষ প্রহরী জগদীশ

চরফ্যাশনে বাঁশির সুরের সংঘর্ষ ও জগদীশের জীবন সংগ্রাম

ব ল প ত র পথ র – বর্তমান যুগে যান্ত্রিকতার জঘন্য আঘাতে বাঁশির সুর ধীরে ধীরে অস্তবিত হয়ে আসছে। তবুও ভোলার চরফ্যাশনে এখন সেই সুরের ছায়া ভেসে আসছে। চরফ্যাশন উপজেলার সদরে স্থানীয়দের সামনে প্রবীণ বংশীবাদক জগদীশ চন্দ্র শীলের মুখে নেমে আসে সেই মায়াবী সুর।

আজ বয়সের ভারে তার শরীর কিছুটা দুর্বল, কিন্তু কাঁধে ঝুলানো বাঁশির ঝুলি আর ঠোঁটে জমানো সুর তার জীবনের স্থায়ী ভিত্তি হয়ে রয়েছে। তিনি প্রায় সাড়ে ছয় বছর যাত্রাদলে কাজ করেন। দলটি ভেঙে যাওয়ার পর তার বাঁশি কর্ম চলতে থাকে।

আজ তার মুখে প্রতিদিন বিভিন্ন হাটবাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর গ্রাম্য মেলায় বাঁশি বিক্রি করা হয়। তার মূল্য ৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। গড়ে তিনি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার টাকা আয় করেন। সেই ধন চার সদস্যের পরিবারের খাওয়াদাওয়া করে থাকে।

বরগুনার বেতাগী পৌরসভার তৃতীয় ওয়ার্ডে বাস করেন জগদীশ চন্দ্র শীল। তার বাঁশি শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, নতুন প্রজন্ম বাঁশির প্রতি কম আগ্রহ প্রকাশ করছে। ফলে ঐতিহ্য বিলুপ্তির পথে চলছে।

‘এত বছর ধরে কুটির শিল্পের সঙ্গে জড়িত থাকলেও সরকারি কোনো সহায়তা পাইনি। অথচ যারা এ কাজের সঙ্গে নেই, তারাও অনেক সময় নানা সুবিধা পাচ্ছেন।’

স্থানীয়দের মতে, প্রযুক্তির আঘাতে গ্রামীণ সংস্কৃতির অনেক কাঠামো হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে জগদীশ চন্দ্র শীলের মতো শিল্পীদের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য আজও বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছে। তার সুরের মূর্ছনা আগামীতেও বাঁচে এমনটাই আশা করেন সবাই।

Leave a Comment