Bangladesh

বিদ্যুতের ‘অপরিকল্পিত’ বিতরণ লাইনেই দুর্ভোগ: মন্ত্রী | সংবাদ

বিদ্যুত বিতরণ সংক্রান্ত সমস্যা অপরিকল্পিত প্রস্তুতির ফল: মন্ত্রী ব দ য ত র অপর কল - বিদ্যুৎ খাতে সঞ্চালন ও উৎপাদন ক্ষমতা বিদ্যমান থাকলেও অনেক এলাকায় বিদ্যুত

Desk Bangladesh
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিদ্যুত বিতরণ সংক্রান্ত সমস্যা অপরিকল্পিত প্রস্তুতির ফল: মন্ত্রী

ব দ য ত র অপর কল – বিদ্যুৎ খাতে সঞ্চালন ও উৎপাদন ক্ষমতা বিদ্যমান থাকলেও অনেক এলাকায় বিদ্যুত সরবরাহ ঘটাঘটি হারাচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নিজের মতামত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অতীতে সরকার বিতরণ লাইন সম্প্রসারণে কোনো পরিকল্পনা ছাড়া বিস্তার করেছিল যা এখন সাধারণ মানুষের দুর্দশা ঘটাচ্ছে।

শুক্রবার (১২ জুন) আফতাবনগরে ন্যাশনাল লোড ডিসপ্চ সেন্টারে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তার মতে, উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ তিন খাতের সমন্বয় ছাড়া স্থিতিশীল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গঠন করা সম্ভব নয়। কিন্তু গত সরকার বিদ্যুৎ খাত সম্প্রসারণ করেছিল যার ফলে খাতগুলোর মধ্যে বড় ধরনের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।

“বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু বিতরণ পর্যায়ে কারিগরি ত্রুটি কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুত সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। সাধারণভাবে এগুলো লোডশেডিং হিসেবে বিবেচিত হয় কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে বিতরণ লাইনের কারিগরি কারণ রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, অনিয়ন্ত্রিত বিতরণ লাইনগুলো স্থানীয় সমস্যা তৈরি করছে এবং পুরো বিদ্যুত ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এসব লাইনের কারিগরি দুর্বলতা উৎপাদন ও সঞ্চালন ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া পর্যন্ত প্রভাব ফেলছে। এ কারণে পরিকল্পনার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

বর্তমানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে আগস্টে সরবরাহ শুরু করার কথা বলা হয়েছে কিন্তু সুষ্ঠু ব্যবস্থার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন। নভেম্বরের মধ্যে ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

ক্যাপাসিটি চার্জ ও চুক্তি নিয়ে আলোচনা

মন্ত্রী ক্যাপাসিটি চার্জ এবং আগের সরকারের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে দেশের ওপর বোঝা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এগুলো রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টির আওতায় হওয়ায় নতুন সরকার তা বাতিল করতে পারে না। বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয় চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করছে এবং আইনগত সুযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

“বিদ্যমান চুক্তিগুলো নিষ্পত্তি করতে আইনগত ও কারিগরি প্রতিক্রিয়াগুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন। তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষতি করতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বিতরণ লাইনের প্রকৃত দৈর্ঘ্য কেবল ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু পল্লী বিদ্যু

Leave a Comment