বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ হারাল অটোরিকশাচালক
বগ ড় য় ট র ক র – বগুড়ায় ট্রাকের সংঘর্ষে একজন অটোরিকশাচালকের প্রাণ হারানোর ঘটনা সংবাদ স্থানীয় স্তরে আঘাত ছড়িয়ে দিয়েছে। রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যায় শেরপুর-ধুনট সড়কে ঘটে এই দুর্দশা। সড়কের শালফা-গজারিয়া রোড এলাকায় বালুবাহী ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নূর হোসেন (৫৫) নামের ছেলে জীবিত থাকতে পারেনি। তিনি ধুনট উপজেলার জোড়খালি গ্রামে বসবাস করতেন এবং পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। হাসপাতালে মৃত্যুর পূর্বে তার পরিবার ও স্থানীয় মানুষ তার আটকে পড়া অবস্থা দেখে আনন্দ নিয়ে গুরুতর আহত করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
সংঘর্ষের পরিস্থিতি ও প্রক্রিয়া
নিহত নূর হোসেন সন্ধ্যায় শেরপুর শহর থেকে ধুনট উপজেলার নিজস্ব বাড়িতে ফিরছিলেন। সড়কে আটকে পড়ার পর তার পরিবার এবং অনুরাগীরা স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শাজাহানপুর উপজেলার ফটকি ব্রিজ এলাকায় তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে দুর্ঘটনার সময় চালকের পরিবার কোনও অভিযোগ তুলে ধরেনি। তাই ময়নাতদন্ত ছাড়া নিহতের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই ঘটনায় শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক জয়নুল আবেদীন নিহতের ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
দুর্ঘটনার প্রকৃতি এবং প্রতিক্রিয়া
বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কা হয়েছিল কিন্তু এর পরিণতি আশ্চর্য ছিল। অটোরিকশার ভেতরে আটকে থাকা নূর হোসেনের শরীরে গুরুতর চোট লেগেছিল। তবে মরদেহ উদ্ধারের জন্য লোকজন নিজেদের সংগ্রহ করেছিল। স্থানীয় মানুষ বলেন, দুর্ঘটনার সময় চালকের পরিবার সহায়তার জন্য ছোট ছোট আবেদন করেছিলেন। গুরুতর আহতের অবস্থার কারণে তাকে প্রথমে শেরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবশেষে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। মৃত অটোরিকশাচালকের পরিবার আত্মত্যাগ করেন না। তারা দুর্ঘটনার পর আর্থিক সহায়তার আবেদন করেছেন এবং স্থানীয় গৃহস্থরা সহায়তা করেছেন।
বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কা প্রায়ই ঘটে থাকে। শেরপুর-ধুনট সড়ক বা�