ফ্রান্স ও প্যারাগুয়ের মধ্যে প্রথমার্ধে গোলহীন খেলার মূল কারণ
প রথম র ধ এমব প র – প্রথম অর্ধেকে এমবাপের ক্ষুব্ধতা এবং ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের গোলশূন্য লড়াই প্রায় সম্পূর্ণ সমতার সাথে শেষ হয়। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্রান্স দলের বল দখল প্রায় ৮০ শতাংশ ছিল, যার ফলে তাদের আক্রমণ ভাগ তীব্র হয়ে ওঠে। কিন্তু প্যারাগুয়ে রক্ষণ অপেক্ষাকৃত প্রতিরোধী আক্রমণ প্রতি প্রতিশোধ নেয়নি। ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো গোল না হওয়ার ফলে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ফ্রান্স মোট ছয়টি শট নেয়, যার মধ্যে শুধু একটি শট লক্ষ্যে ছিল। অন্যদিকে প্যারাগুয়ে দুইটি শট নেয়, কিন্তু কোনো গোল করতে পারেনি। প্রথম অর্ধেকে এমবাপের স্পর্শকাতরতা দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ায় এবং খেলার ভূমিকাকে উল্লেখযোগ্য করে তোলে।
প্রথমার্ধে ফ্রান্স দলের মূল কারণ ছিল তাদের রক্ষণের অস্থিরতা এবং ক্ষমতা নেয়া। অনুষ্ঠানে কিলিয়ান এমবাপের পরিচালনা বিপক্ষের জায়গা না পাওয়ার কারণে ফ্রান্সের ক্ষমতা ছড়িয়ে পড়ে। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে এমবাপে প্যারাগুয়ে বক্সের বাইরে ফাউলের শিকার হন। রেফারি তার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর এমবাপে ক্ষুব্ধ হন এবং আক্রমণ ভাগ দাপট দেখান। এই ঘটনার ফলে খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেশি হয়ে ওঠে। প্রথম অর্ধেকে এমবাপের প্রতিশোধ ও বিপক্ষের স্পর্শকাতরতার প্রভাব খুব দ্রুত বোঝা যায়।
“ফাউলের পর আমি মাঠে অবিলম্বে ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম।” এমবাপে মাঠে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় আন্দ্রেস কুবাসকে হালকাভাবে ধাক্কা দেন।
প্রথমার্ধে এমবাপের ক্ষোভ এবং খেলার উত্তেজনা
প্রথম অর্ধেকে এমবাপের ক্ষোভ ম্যাচের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে। ফ্রান্স এবং প্যারাগুয়ে দুই দলের মধ্যে এই খেলা সংঘটিত হয়েছিল প্রায় কোন গোল না হওয়ার কারণে। ফ্রান্স ক্ষমতার অপরিচিত উপায় ব্যবহার করে, কিন্তু তাদের আক্রমণ ভাগ বিপক্ষের প্রতি অবিলম্বে প্রতিরোধ ঘটে। প্রথম অর্ধেকে এমবাপের স্পর্শকাতরতা দুই দলের কাছে বৃহৎ বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি করে। এই সময় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ এবং ফ্রান্সের আক্রমণ বিষয়ে তীব্রতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। প্রথম অর্ধেকে এমবাপের ক্ষোভ প্রতিপক্ষ দলের ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং তাদের ক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটে।
প্রথম অর্ধেকে খেলার শুরুতে ফ্রান্স ক্ষমতার অপরিচিত উপায় ব্যবহার করে। এই অবস্থায় প্রতিপক্ষ রক্ষণ এবং আক্রমণ দুই ভাগে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। কিন্তু গোল করতে পারেনি। প্রথম অর্ধেকে এমবাপের ক্ষোভ বৃদ্ধি পায় এবং ম্যাচের প্রথম দিকে