শাওয়ানা খানের আবেগঘন চলচ্চিত্র ‘দ্য রোড টু মাই ফাদার’ প্রকাশিত হয়েছে
প রক শ প ল শ ওয় – বাবাকে খোঁজার জন্য দীর্ঘ ২১ বছর ব্যয় করা হয়েছে শাওয়ানা খানের প্রাণে। তিনি নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য রোড টু মাই ফাদার’ প্রকাশ করেছেন বাবাদিবসে জুন হাম্বলভার্স ইউটিউব চ্যানেলে। চলচ্চিত্রটি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা ও বাবার হারানোর দুঃখের তুলনায় রচিত।
শাওয়ানার বয়স যখন মাত্র ৯ বছর, তখন তাঁকে বাবা হারানো হয়। তারপর তিনি সুইডেনে পরিবারের সঙ্গে চলে যান। বাবার স্মৃতি এবং তাঁর নিজের অস্তিত্বের গভীর অংশ ছিল সেই শূন্যতার মধ্যে।
বাবার স্মৃতি আর অজানা জীবন অধ্যায়গুলো খুঁজে দেখার যাত্রা ছাড়া ছাড়া ছিল না চলচ্চিত্রটি। গত বছর চকরিয়া এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে শুটিং সম্পন্ন হয়। এই কাজে তিনি বাবার স্মৃতি ও প্রিয় স্থানগুলো ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতাকে মূল করেছেন।
চলচ্চিত্রের আবেগ ও প্রেরণা
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নিয়ে শাওয়ানা খান বলেন, “এটি আমার স্বাক্ষরিত একটি প্রাণের গল্প। আমি বাবার জীবনের শেষ কাল কী হত, কত অভিমান ও ভালোবাসা তৈরি হত তা জানতে চেয়েছিলাম।”
“আমি জানতে চেয়েছি বাবা কেমন ছিলেন, কোথায় ছিলেন এবং কোন স্থান তাঁর সবচেয়ে ভালো লাগত। সেই অনুভূতির স্থান নেওয়া হয়েছে চলচ্চিত্রে।”
তিনি আরও জানান, “বাবার জন্য আমি সব করেছি আমার জীবন নতুন করে দেখার জন্য। তিনি বেঁচে থাকলে আমার পরিবারের কত অংশ ভিন্ন হত সেটা চিন্তা করে আমি এই চলচ্চিত্র তৈরি করেছি।”
আন্তর্জাতিক স্বাগতিকতা
‘দ্য রোড টু মাই ফাদার’ এখন স্বাল্লাপ সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, শিকাগো অ্যাটেস্ট অব থিয়েটার, মস্কো শর্ট শট ফিল্ম ফেস্ট সহ বিশ্বের বিভিন্ন উৎসবে দেখা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি কোন পুরস্কারও অর্জন করেছে সেই প্রতিযোগিতায়।
বাবাদিবসে চলচ্চিত্রের মুক্তির পর শাওয়ানা আশা প্রকাশ করেন, এই কাহিনী দর্শকদের নিজেদের স্মৃতি ও পরিবার সম্পর্ক নিয়ে পুনরালোচনা করতে উদ্বুদ্ধ করবে।
এই সময় বাংলাদেশের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গে শাওয়ানার ওয়েব ফিল্ম ‘মিস্ট্রি ইন ব্লুম’ মুক্তি পেয়েছিল। এর আগে বাবার বেড়ানো যাত্রা নিয়ে সেই আবেগের স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে।