দু’বার পিছিয়ে পড়েও ডাচদের থামাইলো লড়াকু জাপান
ম্যাচের সামগ্রিক পরিচয়
দ ব র প ছ য় পড় – বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের পর থেকে এবং তার পরে যে সময় একটি সামান্য অনুপাতে আবারও বাড়িয়ে আনা হয়েছিল, তা ডাচদের পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংঘটিত ঘটনার মধ্যে দু’বার পিছিয়ে পড়েও জাপানের লড়াকু দল ক্রিসেনসিও সামারভিল ও অন্যান্য খেলোয়াড়দের কারণে ডাচদের ধীর হতে দেয়নি। প্রতিযোগীদের সামনে তাদের নৈপুণ্য ও প্রতিস্থাপনের জন্য জাপান স্পীড ও শক্তি বিস্তার করেছিল।
ম্যাচের শুরুতে গোল করা ও প্রতিশোধ
ম্যাচের শুরুতে নেদারল্যান্ডস দল বৃহৎ শক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ডাচ খেলোয়াড়দের হাতে রায়ান গ্রাভেনবার্খের ছোঁয়া ক্রস থেকে হেডে গোল করে নেদারল্যান্ডস প্রথম গোল করে এবং ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। কিন্তু জাপানের প্রতিশোধ বেশ দ্রুত ঘটে। ছয় মিনিট পর কেইতো নাকামুরার বক্সের বাইরে থেকে শট করে দুর্দান্ত গোল করে জাপান মুখোমুখি হয়েছিল ডাচদের সমতা ফেরত আনে। মাঠের অস্থির পরিবেশ বৃদ্ধি পেয়েছিল জাপানি সামুরাইদের দু’বার পিছিয়ে পড়ার পর ডাচ খেলোয়াড়দের কাছে প্রতিরোধ করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য জাপান দৃঢ় সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রয়োগ করেছিল।
অধিনায়ক ফন ডাইকের গোলের প্রভাব
ভিরগিল ফন ডাইক বেশ কয়েকটি গোল করার পর তার প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গ্রাভেনবার্খের পাস থেকে ক্রাইসেনসিও সামারভিল বক্সের ডান প্রান্ত থেকে শট করে এবং জাপানি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করে। গোল করার পর তিনি ক্রিসেনসিও সামারভিলকে ক্রমশ তার শক্তি ক্ষীণ করে দেয়।
বেশি দূরপাল্লার প্রতিশোধ
প্রতিবাদে জাপান অবিলম্বে আক্রমণ বাড়িয়ে তোলে। কুবোর দূরপাল্লার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায় এবং সুগাওয়ারার শট ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন লুফে নেন। গোল করার পর তারা ক্রিসেনসিও সামারভিলকে দুই তারকা নিয়ে বিপক্ষ দলের কাছে প্রতিশোধ করে। ম্যাচের অবশেষে ৮৮তম মিনিটে কোকি ওগাওয়ার কর্নার থেকে হেড করে দাইচি কামাদার দিকে বল বাড়িয়ে জাপানি দল মুখোমুখি করে ডাচদের সমতা ফেরত আনে।
ম্যাচের গোলের সামগ্রিক বিবরণ
ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ডেনজেল ডামফ্রিসের ছোঁয়া ক্রস থেকে টিউন কুপমেইনার্স হেড করে গোল করতে �