তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের হইচইয়ের প্রয়োজন নেই: চীন মিডিয়া
ত র ক রহম ন র চ – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের কিছু সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে, তবে এটি কোনো প্রয়োজন নেই বলে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত পত্রিকা গ্লোবাল টাইমস মনে করেছে। প্রধানমন্ত্রীর তিনদিনের সরকারি পরিবেশ গ্রহণ করা হয়েছে এবং এই সফরটি চীনের সাথে সম্পর্ক গভীর হওয়ার প্রমাণ হতে পারে বলে সম্পাদকীয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সফরটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধি করে এবং তার আর্থিক সমৃদ্ধির দিকে প্রচুর বিশ্বাস জাগাচ্ছে।
চীনের সহযোগিতা ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা
বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক সংঘাত ও অভ্যন্তরীণ অনিশ্চয়তা কারণে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রধান লক্ষ্যগুলো প্রকাশ করেছে কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো বৃদ্ধির দিকে। এখন এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমান চীনের প্রতি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিকূল মনোযোগ দিয়েছেন এবং চীন বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সহযোগী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারেক রহমানের সফর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মান বৃদ্ধি করার সাথে সাথে চীনের দিকে আরও গুরুতর কাছাকাছি আসার দিকে প্রচুর প্রভাব ফেলছে।
বর্তমানে চীনে বাংলাদেশের প্রায় এক হাজার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশ চীনের প্রতি সরাসরি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির দিকে ক্ষমতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের পর কৃষিপণ্য বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সফরে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও কৌশলগত আলোচনার ওপর মূল ভর করা হয়েছে। তারেক রহমান চীনে পৌঁছেছেন এবং সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার সুযোগ নিয়েছেন।
ভারতের মনোযোগ বিভক্ত হয়েছে বলে চীন মনে করে
ভারতের কিছু অংশ মনে করে প্রতিবেশী দেশের নেতাদের প্রথম সফরটি আঞ্চলিক অভিভাবকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের নিদর্শন হতে পারে। তিস্তা প্রকল্পে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা নিয়ে কোনো কোনো বিশ্লেষক ভারতের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন। তারেক রহমানের সফর ভারতের বাণিজ্য সম্পর্কে আপত্তি প্রকাশ করার দিকে প্রবণ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
চীন মনে করে বাংলাদেশ তাদের বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে কোনো সংকট নেই। তারেক রহমানের সফর বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা দৃঢ় করার মাধ্যমে সম্পর্কের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে।
তারেক রহমান চীনে তাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং বাংলাদেশের চাহিদার জন্য একটি গুরুতর বিনিয়োগ ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছেন। সফরটি চীনের দেশে বাংলাদেশের সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি জন্ম দিয়েছে এবং বিশেষ করে বাণিজ্য ও বৈদেশিক বিনিয়োগ উন্নয়নের দিকে এগিয়েছে। তারেক রহমান চীনের প্রতি প্রতিষ্ঠানগুলো অবিলম্বে আসার দিকে প্রচুর আগ্রহ দেখানোর প্রয়োজন হয়েছে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বৈদেশিক বিনিয়োগ এখন প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষমতা ব�