Bangladesh

ধর্ষণ মামলায় শিবির নেতা জিসান কারাগারে

Techtaranga.com_17816249713890

ধর্ষণ মামলায় শিবির নেতা জিসান কারাগারে পাঠানোর আদেশ জারি হয়েছে

Banglabeacon.com – ধর ষণ ম মল য় শ ব – কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে তিনি কুমিল্লার ৩ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক তৈয়ব উদ্দিন কর্তৃক সুস্থতা যাচাইয়ের পর জিসানকে হাজির করা হয়। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। মামলায় জিসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার ফলে সুস্থতা পরীক্ষার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মামলার সত্যায়ন ও আদালতে হাজির করা হয়েছে

পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে জিসানকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তারপর তিনি দাউদকান্দি থানায় এক নারীর সাথে জড়িত হওয়ার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। জিসানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তার অসুস্থতা দাবির কারণে। রোববার সুস্থতা যাচাইয়ে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়, যারা তাকে সুস্থ বলে ঘোষণা করেন। এরপর তাকে আদালতে হাজির করা হয় মঙ্গলবার বিকেলে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী জানান, মামলায় জিসান ছাড়াও সেকান্দর আলী, গোলাম রাব্বী ও সজীব নামের আরও তিনজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। তারা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। জিসানকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এ সময় এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, যাতে জিসানকে হেলমেট পরিয়ে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন চাইলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জিসানের সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া বিধবা নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে জিসান তাঁকে গর্ভপাতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে জিসান আত্মগোপনে চলে যান।

তদন্তের প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হয়, যাতে সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা যায়। তার সাথে এখনও আরও অভিযোগ প্রমাণের জন্য তদন্ত চলছে। এছাড়া মামলার স্থায়ী প্রভাবে এলাকার সামাজিক সমালোচনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে তাঁর ছাত্রশিবির সদস্যদের বির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *