জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড, আরও তীব্র গরমের পূর্বাভাস | সংবাদ
জ ন ভ ঙল ত পম ত – জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড হিসেবে জানানো হয়েছে যে বিশ্বের সমুদ্রগুলি ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুন মাস পার করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপারনিকাস মেরিন সার্ভিস সম্প্রতি প্রকাশ করেছে একটি নতুন প্রতিবেদন যা এই পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জুন মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (৬৯.৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পৌঁছেছে, যা সামগ্রিকভাবে গত দুই বছরের জুনের তুলনায় বেশি ছিল। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড এবং আরও তীব্র গরমের পূর্বাভাস দেয়।
বিশ্বজুড়ে উত্তপ্ত তাপপ্রবাহ
জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড হিসেবে জানানো হয়েছে যে প্রায় ৮২ শতাংশ সমুদ্র অঞ্চল একটি অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহে প্রভাবিত হয়েছে। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগর, উত্তর আটলান্টিকের মধ্যাঞ্চল এবং নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা আগের রেকর্ডের বেশি ছিল। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি সম্ভবত এল নিনো বা অন্যান্য জাতীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধির সামগ্রিক প্রভাব প্রতিফলিত করেছে, যেখানে প্রতিবেদনটি জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে। এ বিষয়ে কোপারনিকাস মেরিন সার্ভিসের প্রধান সমুদ্রবিজ্ঞানী সাইমন ভ্যান জেনিপ বলেন, “জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড দেখায় যে বিশ্বের বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি চলতি সময়ের সবচেয়ে উষ্ণ হয়ে উঠছে। এটি আগামী মাসগুলোতে সমুদ্র এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা আরও রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে।”
তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে যে বিশ্বজুড়ে জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড বিপর্যয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করছে। কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুওনটেম্পো বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড হিসেবে নতুন বিপজ্জনক অধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এটি বিশ্বের আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনীয় কারণ।”
অনুমান ও অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা
জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড হিসেবে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের প্রভাব এখন আরও বিস্তারিত হয়েছে। এ প্রক্রিয়াটি বাতাসে অতিরিক্ত তাপ ছড়াচ্ছে যা বিশ্বজুড়ে খরা, বন্যা এবং দাবানলের মতো চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন যে জুনে ভাঙলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে আরও গুরুতর তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেবে। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি কারণে সম্ভবত ২০২৪ সালের পর নতুন করে এল নিনো শুরু