জামায়াতের উত্থান দেশের জন্য নতুন সংকট: নুর | সংবাদ
জ ম য় ত র উত থ – জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তঝরা দিনগুলো পেরিয়ে এল, ষড়যন্ত্রের কুয়াশা এখনও কাটেনি। ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত প্রয়াসে গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল, কিন্তু এর পরে বিদেশি শক্তি এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এক বিশেষ রাজনৈতিক বলয়ের উত্থানে জোর দেখান। এই বলয়, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সংকট সৃষ্টি করেছে।
রাজধানী জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় নুরুল হক নুর বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের শেষ মূহূর্তে কিছু বিদেশি শক্তি নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের চেষ্টা করেছিল। আন্দোলনের সময় বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা আমাকে সহায়তার প্রস্তাব দেয়।” কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ার পর তিনি আরও তথ্য খুঁজে পান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জেল থেকে মুক্তি পেয়ার পর আমি জানতে পারি, আন্দোলনের শেষ দিনগুলোতে বিদেশি মহল ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব নেওয়ার চেষ্টা করে। কিছু শিক্ষার্থীকে দূতাবাসে রেখে যোগাযোগ করা হয়েছিল।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী ছাত্রদের ব্যবহার করে পুলিশ প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়, জ্বালানি খাত ও বিসিএস ক্যাডারে জামায়াতপন্থী সাধারণ মানুষের কাছে আকর্ষণ করেছে। দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য তিনি বিএনপির নেতৃত্ব ও আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের প্রস্তুতি করেছেন।
নুরুল হক নুর বলেন, “বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা ও প্রবাসী কার্ড চালু করার মতো প্রকল্পগুলো কার্যকর করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে কৃত্রিম জনমত তৈরি হচ্ছে যার ফলে জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
তিনি আও সাফ জানান যে জামায়াত দেশের ইতিহাসের একটি অতীত অধ্যায় মাত্র, তাদের কোনো বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নেই। দেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে একত্রিত করে বিদেশি প্রভাব ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবগুণ্ঠন করা আবশ্যক।