গ্রামবাসী নিজে রাস্তা কাটল জলাবদ্ধতা দূর করতে | সংবাদ
জল বদ ধত ন রসন র স – গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের ফরাজীপাড়া গ্রামে প্রচণ্ড বৃষ্টি এবং পানি নিষ্কাশনের পথে বাধা ঘটায় তীব্র জলাবদ্ধতা বিস্তার লক্ষিত হয়েছে। এই অবস্থায় গ্রামের বাসিন্দারা নিজেদের হাতে রাস্তা কেটে দিয়েছেন জল বদ্ধতা নিরসনের জন্য। ফলস্বরূপ আংশিক পানি নামলেও জমিজামাতার সংযোগ ব্যবস্থা ক্ষুণ্ণ হয়ে আছে এবং বাসন্তি এলাকায় যাতায়াত করা সম্পূর্ণ সম্ভব হচ্ছে না। গ্রামের মানুষ তীব্র আপনার জন্য প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রচেষ্টায় প্রতিদিন নতুন করে বাধ্যতামূলক পরিস্থিতি গড়ে উঠছে।
জলাবদ্ধতা কী করে জমা হয়েছে এবং গ্রামবাসী কী করে সমাধান খুঁজছেন
সংবাদ সংগ্রহে দেখা গেছে যে ফরাজীপাড়া গ্রামে কয়েক শ বিঘা জমি পানিতে ভাসছে এবং কৃষকদের কৃষি কাজে বাধা ঘটছে। কিছু বাড়ি সম্পূর্ণ রাস্তার নীচে ডুবে গেছে যেখানে সামান্য জল বদ্ধতা ছাড়াও পানি নিষ্কাশন ঘটানোর উপায় নেই। প্রশাসনের কাছে নালা বা কালভার্ট ছাড়া গ্রামটি কয়েক দিন ধরে পানি বন্ধ হয়ে আছে। এই পরিস্থিতি গ্রামের মানুষের জন্য একটি প্রাণঘাতী পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে যেখানে কোনো সমাধান না পেলে আরও বেশি ক্ষতি হতে পারে।
শহীদ আলী বলেন, “আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। ঘর থেকে বের হওয়ার উপায় নেই। পানি বের করার জন্য কোনো নালা বা ব্রিজ নেই। বাধ্যতামূলক আমরা নিজেরাই রাস্তা কাটে দিয়েছি। এখন আমাদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেল। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বিশেষ করে কাঁচা রাস্তা ও উঠানে জমাগুলি নিরাপত্তি হারাচ্ছে এবং বাসিন্দারা নিজেদের হাতে সামাজিক প্রতিক্রিয়া গড়ে তুলছেন জল বদ্ধতা নিরসনের জন্য। একটি বৃহত্তর গ্রামে নিজেদের সংগঠিত করে তীব্র পানি বিস্তার দূর করার জন্য কিছু রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে জল বদ্ধতা নিরসনের কাজ করা সম্ভব হয়। এই প্রচেষ্টা গ্রামবাসীদের সহযোগিতা এবং স্থানীয় পরিষদের অনুমোদন প্রাপ্ত হয়েছে।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ও গ্রামবাসীর আক্ষেপ
চণ্ডীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী মোস্তফা মাসুম জানান, এ এলাকার মানুষ প্রতি বছর বর্ষায় এই সমস্যার মুখোমুখি হয়। কারণ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। প্রশাসন এতে আক্ষেপ প্রকাশ করেছে এবং এখন নালা নির্মাণ জন্য তারা প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রচেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, “এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ জরুরি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। বরং এটি আমাদের সামাজিক কা�