‘আমলাতন্ত্রের কাছে সরকারের আত্মসমর্পণ’ দেখছে টিআইবি
আমল তন ত র র ক ছ – ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা সত্ত্বেও সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণে কেনা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত সম্পর্কে গভীর চিন্তা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি মনে করছে, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অন্যায্য প্রভাবে সরকার সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা বহাল রাখার ব্যবস্থা করেছে, যা রাষ্ট্রীয় পরিচালনার গোঁড়া প্রভাব দেখায়। রোববার (১৯ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে টিআইবি এসব কথা বলে।
সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জনগণের অর্থের অপচয় কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তার আগে থেকে একটি প্রকারান্তরে ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু ক্ষুদ্র স্বার্থে সুবিধাভোগীদের প্রভাবে সরকার তার সিদ্ধান্ত কমে আসছে। বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে, যে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রভাব থাকার কারণে ব্যয় কৃচ্ছতার এই নীতিগত সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক হয়ে ওঠে।
‘কোন শক্তির প্রভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ব্যয়-কৃচ্ছতার এই নীতিগত সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হচ্ছে?’ টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রশ্ন তুলেছেন।
টিআইবি বলছে, শুধু সিভিল সার্ভিসের নির্দিষ্ট কর্মকর্তারা নয়, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারাও সুবিধা পেয়ে আসছেন। প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যে শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে, তা চরম বৈষম্যমূলক। মাত্র ২ হাজার ৪০০ কর্মকর্তার জন্য এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে, যা অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য গ্লানিকর।
সরকারি চাকরিতে আন্তক্যাডার ভারসাম্য হারাচ্ছে, এবং নির্দিষ্ট পদের জন্য অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার ও জ্বালানি ব্যয় বহনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেও সুবিধাভোগী আমলারা তা থেকে কোনো শিক্ষা নেননি। দেশের চলমান আর্থিক সংকটের মধ্যে সরকার ইতিমধ্যে কর্মচারীদের নিঃশর্ত ব