বাংলাদেশের জয় ইতিহাসে নতুন ছাপ
অস ট র ল য় ক হ – অস্ট্রেলিয়াকে হারানো বাংলাদেশ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় করে ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত গড়ে তোলে। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃষ্টির বাগড়া এবং গ্যালারিতে দর্শকদের উত্তেজনার মিশ্রণে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ওয়ানডে সিরিজের জয় প্রতিষ্ঠা করে, যা অস্ট্রেলিয়াকে বিপদে ফেলে। এই বিজয় নয়া সূত্রে বাংলাদেশের বিশ্ব ক্রিকেট ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ করে।
প্রথম ইনিংসের আক্রমণ
অস্ট্রেলিয়াকে ক্ষমতাহীন করার জন্য বাংলাদেশ দলের বোলাররা প্রথম ইনিংসে গুরুতর আক্রমণ করে। আপনি কি জানেন যে অস্ট্রেলিয়াকে ধস নামিয়ে জয় প্রাপ্তির প্রথম মুহূর্তে বাংলাদেশ দলের নাম বিশ্ব ক্রিকেট স্টেডিয়ামের স্থায়ী স্থানে গড়ে উঠেছে? প্রথম ওভারে ম্যাথু শর্ট এক অস্ট্রেলিয়াকে গুরুতর ক্ষতি হানে যায়। তাসকিন আহমেদের ক্ষমতা ও সৌম্য সরকারের ভূমিকার ফলে অজি ব্যাটিং লাইন ক্ষীণ হয়ে আসে।
তাসকিন আহমেদের প্রথম বলে অস্ট্রেলিয়াকে মাঠে ধাক্কা দেয় এবং কুপার কনোলিকে লিটন দাস বাক্সে ফেলে দেয়। সিরিজের প্রথম জয় অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে না কেবল এক মহাকাব্যিক পরিবর্তন ঘটায়। মুস্তাফিজুর রহমান এবং মেহেদী হাসান মিরাজের মিলনে বাংলাদেশ দল সামগ্রিক শক্তি বাড়ায়।
দ্বিতীয় ইনিংসের সম্পূর্ণ আঘাত
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার আগে বৃষ্টি মাঠ বন্ধ করে দেয়। তখন অস্ট্রেলিয়াকে লক্ষ্য হয় ৪২ ওভারে ১৮৭ রান। পরবর্তী ইনিংসে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে গুরুতর আঘাত হানে ও নির্ভরযোগ্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে। অস্ট্রেলিয়াকে গুরুতর ক্ষতি হওয়ার পর বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার শিখর পৌঁছতে সমর্থন পায়।
প্রথম বলে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে উইকেট হারায়, যার ফলে দলের মুখ্য সংগ্রামী হারায়। তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন গুরুতর সংকট ঘটতে দেখে শান্ত রিভিউ নিয়ে বিপক্ষের ক্ষতি ঘটায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের বোলাররা অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করার জন্য নিয়মিত আক্রমণ চালিয়ে যায়। সৌম্য সরকারের সাথে তানজিদ হাসান এক অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ে তোলে যার ফলে অস্ট্রেলিয়াকে প্রায় প্রতিটি ওভারে ক্ষতি ঘটায়। লিটন দাস এবং মোসাদ্দেক হোসেন বাংলাদেশের মুখ্য দুই নাম হয়ে ওঠেনি তবে তাদের ক্ষমতার ফলে অস্ট্রেলিয়াকে স্থায়ী ক্ষতি ঘটায়।
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মির