Bangladesh

১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মে মাসে | সংবাদ

১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মে মাসে ১৬ ম স র মধ য সর - বাংলাদেশে মার্চ থেকে মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আগে কখনো দেখা যায়নি। গত মে মাসে সার্বিক

Desk Bangladesh
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : John Taylor - banglabeacon.com

১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মে মাসে

Banglabeacon.com – ১৬ ম স র মধ য সর – বাংলাদেশে মার্চ থেকে মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আগে কখনো দেখা যায়নি। গত মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে দশমিক ৪২ শতাংশে, যা এপ্রিলে ছিল দশমিক ০৪ শতাংশ। জ্বালানি তেলের দামের চাপে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উভয় খাতে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে, যা অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে মূল্যস্ফীতি একমাসের ব্যবধানে দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ হার বৃদ্ধির পিছনে সরকারি কর বৃদ্ধি, তেল ও গ্যাস বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক কোটা চাপ থাকে।

খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাতের প্রভাব

গত কয়েক মাসে খাদ্যপণ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যগুলোর মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে সর্বমোট মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দশমিক ০৬ শতাংশ, যা এপ্রিলে ছিল দশমিক ৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে এপ্রিলে দশমিক ৫৭ শতাংশে হার ছিল, যা মে মাসে দশমিক ৭১ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পাওয়া গেছে তা এই মাসে মূল্যস্ফীতির কারণে চলতি বছরে মে মাসে পেতে হয়েছে ১০৯ টাকা ৪২ পয়সা।

মূল্যস্ফীতির বৃদ্ধির প্রভাব

বিবিএস-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার সামান্য কমা-বাড়ার পরে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। এর আগে সর্বোচ্চ হার ছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দশমিক ৯৪ শতাংশ। তবে গত বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার এক মাসে দশমিক ৪২ শতাংশে গেলেও তা আবার বৃদ্ধির পরে সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ এর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

মূল্যস্ফীতির বৃদ্ধি অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে স্থায়ী প্রভাব ফেলছে। খাদ্য খাতে দুর্দান্ত পরিস্থিতি বাড়ছে যখন খাদ্যবহির্ভূত খাতে সরকারি কর বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক কোটার প্রভাব অনুভব করা যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতির হার দশমিক ৯৪ শতাংশ ছিল, যা মে মাসে দশমিক ৪২ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি খাদ্য খাতের সাথে সরকারি নীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থার প্রভাব সম্পূর্ণ সম্পর্কিত। গত মাসের হার সামান্য কমা-বাড়ার পরেও সর্বোচ্চ স্তর ছুঁয়েছে।

বর্তমান মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলছে। গত বছরের মে মাসে যে মূল্যস্ফীতি ছিল তা এই মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবিএস-এর সংখ্যাগুলো অনুযায়ী, মার্চ থেকে মে মাসে হার দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি কয়েক মাস ধরে গত হারের চেয়ে বেশি হয়েছে। এ সংক্রান্ত আরও বিশদ তথ্য সরকার থেকে প্রত্যাশিত হচ্ছে।

সংবাদ প্রকাশে এই সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে গৃহীত হচ্ছে। এটি বোঝায় যে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি সম্পর্কে টানা দুই মাস ধরে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। খাদ্য বা খাদ্যবহির্ভূত খাতে হার বৃদ্ধি বিশ্লেষকদের মতে সামাজিক চাপ ও বাজারে প্রবাহ বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

Leave a Comment