বিশ্বকাপের ম্যাচে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দল
হল ন ড ঝড় র স মন – বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতা এখন সামনে দুটি দলের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হবে। কোনো ভুলের স্থান নেই, যেহেতু বিজয় করলে নকআউট পর্বের শেষ ৩২-এ যেতে হবে এবং হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হবে। টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত এগারোটায় বাঁচা-মরার সংগ্রামে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট মুখোমুখি হচ্ছে।
আফ্রিকান দলগুলো সামনে তুলে ধরতে চায় নরওয়ে কঠিন পরীক্ষা। যেহেতু দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে এই সামন্ত নরওয়েজিয়ানরা। তাদের স্বপ্ন সামনে আফ্রিকার দলগুলোর বিরুদ্ধে একটু বড় হয়েছে। গ্রুপ পর্বের পর প্রথম দুই ম্যাচে ইরাক ও সেনেগাল দুটি দলই জয় করেছিল। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোতে চলমান রোমান্টিক পরীক্ষার জন্য এবার আফ্রিকার দলগুলো অনেক বেশি শক্তি দিচ্ছে।
নরওয়ে কী জানে এবং কী চায়
আর্লিং হলান্ডের হাত ধরে নরওয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখছে। এই দুই দলের সামনে এখন সম্পূর্ণ বিশ্বকাপ বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এর আগে তারা ইতিহাসের সেরা সাফল্য ছুঁয়েছিল কারণ প্রথম ম্যাচে ইরাককে ৪-১ গোলে হারানোর পর সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে জয় করেছিল। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সবশেষ ম্যাচে পরিবর্তন করা হয়েছিল বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়দের।
আর্লিং হলান্ড দুই ম্যাচে মোট ৪ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে অন্যতম ফেভারিট হয়েছেন। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড দুই অ্যাসিস্ট করে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নরওয়ের কোচ স্তল সুলবাকেন বলেন, “ওরা গোছানো দল, ব্যক্তিগতভাবে সবাই দারুণ এবং সুযোগ পেলেই গোল করতে পারে। তবে আমাদেরও শারীরিক শক্তি আছে। আমরা ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করব।”
আইভরি কোস্টের সাফল্য আগে ছিল না
আইভরি কোস্টের সাফল্য আগে ছিল না। ২০০৬ থেকে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপগুলোতে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়ে এবার নকআউট পর্বের স্বাদ পেয়েছে। তাদের গ্রুপ ‘ই’ তে প্রথম ম্যাচে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারানোর পর জার্মানির কাছে ২-১ ব্যবধানে হারে দিয়েছে তবে শেষ ম্যাচে কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে যাওয়া নিশ্চিত করেছে।
আইভরি কোস্টের সবুজ ভূমি থেকে সবশেষ ম্যাচে নরওয়ে বিরুদ্ধে লড়াই। নি�