সীমিত গোষ্ঠীর মধ্যে ‘আটকে গেছে’ নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুবিধা
স ম ত গ ষ ঠ র – আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর ও শুল্ক সুবিধা ঘোষণার পর সাধারণ আশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ) অভিযোগ করেছে যে এসব সুবিধা সীমিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
সৌর বিদ্যুৎ খাতে সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হবে
বিএসআরইএ’র দাবি অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারি এসআরও সংশোধন না করা হলে দেশের সৌর বিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হবে। রবিবার (১৪ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এ তথ্য জানান।
“নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত,” বিএসআরইএর সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন।
বিএসআরইএ দাবি করেছে যে বাজেটের পরে এসআরও বিশ্লেষণে দেখা গেছে সুবিধা মূলত নির্দিষ্ট কিছু সৌর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং রেসকো মডেলে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কোম্পানির জন্য প্রযোজ্য। ফলে আবাসিক গ্রাহক, কৃষি খাতের সোলার সেচ ও ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীরা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বর্তমান এসআরও মূলত দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ২০ থেকে ২২ শতাংশ অংশকে লক্ষ্য করছে। কিন্তু বিএসআরইএ জানায়, অধিকাংশ ব্যবহারকারী এর বাইরে রয়ে গেছেন। তাদের মতে চলতি বাজেটে সোলার ইরিগেশন, সোলার স্ট্রিট লাইট ও বিইএসএস খাতে কোনো নতুন প্রণোদনা দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশে প্রায় ১৭ লাখ ডিজেল চালিত সেচ পাম্প রয়েছে। কিন্তু সেগুলোকে সৌর ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য কোনো সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা আর্থিক সুবিধা বাজেটে দেখা যায়নি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ওয়েট-বেইজড অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি পরিবর্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রানজ্যাকশন ভ্যালু ভিত্তিক মূল্যায়ন চালু করা হয়নি। ফলে প্রকৃত আমদানি মূল্যের তুলনায় অতিরিক্ত মূল্যায়নের কারণে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেতে চলছে।
সংগঠনটি আরও অভিযোগ করেছে যে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও বিইএসএসের