সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কাছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জিম্মি করা যাবে না
মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য
স ক র ণ দ ষ ট – শনিবার (১৩ জুন) ঢাকার মিরপুরে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাংস্কৃতিক শিক্ষার গুরুত্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। সেখানে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
“সাংস্কৃতিক চর্চার বিরোধিতা করা যাক কিন্তু সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জিম্মি করা যাবে না।”
অধিদপ্তরটি সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিসর বৃদ্ধির বিষয়ে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য একটি নতুন কারিকুলামের আওতায় ২০২৮ সাল থেকে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যপ্রস্তাবে সাংস্কৃতিক শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হবে।”
ববি হাজ্জাজ মন্তব্যে বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য সাংস্কৃতিক শিক্ষা অপরিহার্য। গান, নাচ এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিশুদের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রকাশ করতে সাহায্য করে। তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে নয়, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব এবং আত্মবিশ্বাসের সমৃদ্ধতার সাথে গড়ে তোলা হবে।”
“শিক্ষকতা একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে পরিচিত হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন করে আমরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পারি।”
প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদা নিয়ে তিনি বলেন, “শ্রেণিকক্ষে পূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাকে শুধু ‘সহকারী’ বলা যাবে না। তিনি একজন শিক্ষক এবং তার পরিচয় দায়িত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।”