মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা, গ্রেপ্তার ১
ম রগ র দ ক ন র – সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকায় সংঘটিত হওয়া গুরুতর অপরাধ চিহ্নিত করে পুলিশ কর্মীদের অভিযানে মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা চালানো সন্দেহে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, মর্জিনা আক্তার ওরফে গেন্দি (৪০) নামে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে কার্যত ১৬ হাজার ২৯০ টাকা এবং ১০৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গেন্দি সোনাহাট বানুরকুঠি গ্রামের আতোয়ার হোসেনের মেয়ে এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থলবন্দরে আসা ট্রাকচালক এবং পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। এই অপরাধের মুখ্য কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের অভিযান এবং অপরাধের প্রকৃতি
গেন্দি এর কারবার নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ কর্মীদের প্রতিদিন সন্দেহভজন ব্যক্তিদের পরীক্ষা করতে হয়েছিল। মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা বিক্রি করার জন্য তিনি গুপ্ত আকারে ব্যবসা চালানো ছাড়াও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণ করতেন। কার্যত তিনি স্থানীয় অপরাধ কমিটি সদস্যদের সাথে সংযুক্ত হয়ে মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসার প্রক্রিয়া ক্রমাগত বাড়িয়ে চলছিল। পুলিশের অভিযানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করে এই কারবারের আসল সত্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়েছিল।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন জানান, গেন্দি বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসার সাথে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রতিবেদন করা হয়েছে। এই মামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হবে এবং তাকে সাজা দেওয়া হতে পারে।
স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা এবং সাংঘাতিক অপরাধ
মুরগির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা চালানো জনগণের কাছে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়েছিল। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনি স্থলবন্দরের নিকট সাংঘাতিক অপরাধ চালানোর সন্দেহে। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সম