সরকারের নতুন আইনী পরিকল্পনা
ম মল জট কম ত সরক র – জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঘোষণা করেন যে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোতে নিরপরাধ ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই, শুধু প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া দেশের সমস্ত আদালতে মামলাজট কমাতে উচ্চ ও অধস্তন আদালতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারপতি ও বিচারক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাঁচ বছরের বেশি পুরোনো মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠন
মন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটিত গুম, খুন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলো দ্রুত বিচার করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ট্রাইব্যুনাল-২ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এখন দুই ট্রাইব্যুনালেই নিয়মিত বিচার প্রক্রিয়া চলছে।
“ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পলাতক আসামিদেরও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে।”
বিচারপতি নিয়োগ ও নতুন ব্যবস্থা
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ৫ জন এবং হাইকোর্টে ১০১ জন বিচারপতি কর্মরত আছেন। সংবিধান অনুযায়ী আরও বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। অধস্তন আদালতের ক্ষেত্রে বর্তমানে ১ হাজার ৯৬৪ জন বিচারক কর্মরত আছেন, যেহেতু অনুমোদিত ২ হাজার ৬২০টি পদের সংখ্যা বেশি।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ১৯তম ও ২০তম বিজেএসের মাধ্যমে আরও ১৫০ ও ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
প্রক্রিয়ার সুন্দর পরিচালনা
আইনমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে বিচার প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে সংসদে পাস করা হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’। এ আইনে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিদের বিচার পর্যবেক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
নতুন বিধানের মাধ্যমে ভার্চুয়াল শুনানি, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ এবং সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পলাতক আসামির সম্পদ জব্দ করার ক্ষমতাও ট্রাইব্যুনালে প্রদান করা হয়েছে।
বিচারাধীন মামলার প্রতিক্রিয়া
সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন মামলাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থাকা আসামিদের মামলার ক্ষেত্রে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কার্যক্রম তদারকির জন্য কগনিজেন্স ম্যাজিস্ট্রেটদের নির