মহেশখালীর গহীন পাহাড়ে অস্ত্রসহ কুখ্যাত মিন্টু আটক
মহ শখ ল র গহ ন পাহাড়ে একটি গোপন অভিযানের মাধ্যমে কুখ্যাত ইমাম হোসেন মিন্টু এবং তাঁর সাথীদের কোস্টগার্ড আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে ঘটে এবং স্থানীয় এলাকার অস্ত্র ব্যবসা ও চাঁদাবাজি নিয়ে অভিযোগ ছিল। মিন্টু মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে বিশেষ মামলা চলছে।
পুলিশের প্রতিবেদন
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় ঘোষণা করেন যে দুর্গম মহ শখ ল র গহ ন পাহাড়ে মিন্টু বাহিনীর আস্তানায় অভিযান চালিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি ও অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে যা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অস্ত্র আটক করা পরিমাণ
আটক মিন্টুর সাথে সামগ্রিক সরঞ্জাম ও গুলি জব্দ করা হয়। পরিমাণ অনুযায়ী একনলা বন্দুক ছিল ৫টি এবং দেশীয় পিস্তল ছিল ৯টি। বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন এবং আট রাউন্ড তাজা গুলি আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে সংগৃহিত অস্ত্র মহ শখ ল র গহ ন এলাকার গোপন বাহিনী সংক্রান্ত অপরাধ বিশ্লেষণে কী কী নথি প্রাপ্ত হয়েছে তা পরিষ্কার করা হচ্ছে।
আটক ইমাম হোসেন মিন্টু কিছুকাল ধরে মহ শখ ল র গহ ন এলাকার চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তিনি এই অপরাধের জন্য স্থানীয় সম্প্রদায়ের বিশেষ বিপ্লব সৃষ্টি করেছেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র সম্পর্কে এবং চাঁদাবাজি নিয়ে মোট ১৫টি ফৌজদারি মামলা চলছে।
মহ শখ ল র গহ ন পাহাড়ের গোপন অভিযান পরিচালনার সময় কোস্টগার্ড অধিকারীরা অভিযানের ক্ষমতার সাথে স্থানীয় সূত্র থেকে সংগৃহিত তথ্য ব্যবহার করেছেন। গোপন সংবাদ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে মিন্টু এলাকার স্থানীয় নেতা হিসেবে কাজ করছিলেন এবং তাঁর বাহিনী বিশেষ করে সামাজিক গোপন জালে অপরাধ চালাচ্ছিল।
মহ শখ ল র গহ ন এলাকার অভিযানের পরিণতি সামাজিক নেতা বিরুদ্ধে ক্রমাগ্রাহী কার্যকলাপের ফল হিসেবে প্রসিদ্ধ হচ্ছে। আটক করা মিন্টুর বিরুদ্ধে আরও বিশেষ অপরাধ প্রমাণের জন্য তদন্ত চলছে। কোস্টগার্ড এবং পুলিশ মহ শখ ল র গহ ন এলাকার অস্ত্র ব্যবসা প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আরও অভিযান চালিয়ে আসছে।
মহ শখ ল র গহ ন পাহাড়ে অপরাধ ক্ষমতা ছাড়া নিরাপত্তি প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোস্টগার্ড এবং স্থানীয় পুলিশের সহযোগে এই অভিযান সফল হয়েছে যার ফলে বিশেষ সরঞ্জাম ও গুলি প্রাপ্ত হয়েছে। এখন মামলা চলছে এবং অপরাধ তদন্তে পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ সংগ্রহ করা হয়েছে।