ব্যবসার উন্নতিতে ঈর্ষা, অতঃপর ব্যবসায়ীকে হত্যা
ব যবস র উন নত ত ঈর – নওগাঁয় পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ দুই আসামি গ্রেপ্তার করে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানান শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর মডেল থানায়। নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ও একটি মটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। দেশীয় অস্ত্রও বর্তমান ছিল ঘটনাস্থলে।
হত্যাকাণ্ডের প্রক্রিয়া
গত বৃহষ্পতিবার সদর উপজেলার বারমাসি বিলে কচুরিপানার নিচ থেকে শফিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসা করতেন। ব্যবসার কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার পূর্বপরিচিত তিনজন ব্যক্তি হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৮ জুন শফিকুল ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বলা হয়। সেখান থেকে দুটি মটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিলে পারঘাটি ব্রিজে চলে যান তারা।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানান সংবাদ সম্মেলনে। লাশ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকান্ডে জড়িত জয়নুলকে শহরের একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মান্দা উপজেলার আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হত্যার পর শফিকুলের কাছে থাকা ১৫০০ টাকা তিনজন ভাগাভাগি করে মটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। আসামি জয়নুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। শফিকুল ইসলাম ছিলেন জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তিলেকপুর গ্রামে অবস্থিত আজিজার রহমানের ছেলে।
আসামি সম্পর্কে তথ্য
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নওগাঁ সদর উপজেলার ভিমপুর পাঠাকাটা এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে জয়নুল (৩৫) এবং মান্দা উপজেলার সতীহাট শ্রীরামপুর এলাকার এরশাদ আলীর ছেলে আশরাফুল (২৬)। হত্যা ঘটনার সময় পিছন থেকে রশি দিয়ে গলায় টান দেয়া হয়। এরপর জয়নুল হাত ও আশরাফুল পা চেপে ধরে তাকে নিস্তেজ করে দেয়।
পুলিশ সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলা�