বেইজিংয়ে বাংলাদেশ-চীন নতুন অধ্যায়, ১৩ স্মারক সই
ব ইজ য় ব ল দ শ – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিংয়ে চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা কর্মসূচির মধ্যে সহযোগিতা প্রসঙ্গে স্পষ্ট ঐকমত্য ঘটে। দুই শীর্ষ নেতা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদীখনন, সেচ উন্নয়ন এবং নৌ-নেভিগেশন খাতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যোগসূত্র দৃঢ় করেছেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও চীনা প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনার চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন এবং সেই বিষয়ে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকের পর রাষ্ট্রীয় ভোজে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানিত করা হয়।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোয়োইং এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে চীন সরকারের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার সহায়তা প্রত্যাশা করা হয়। চীনা পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন।
বিনিয়োগ প্রসঙ্গে আলোচনা ঘটেছে
বেইজিংয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে চীনের সিসিপিআইটি ও বিআইডিএ এর সম্মিলিত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চীন সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রতি গুরুত্ব দেখানোর আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশে সরকার অত্যাধুনিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সেই সঙ্গে আবেদন প্রক্রমে ত্বরা দেওয়া হয়েছে বলে জানান হয়।
আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদের সাথে বেইজিংয়ে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীন মধ্যে ঐক্য গঠন করেছে। এই দুই দেশের �