বসতভিটা উঁচু করে ভাগ্যবদল: একটি সফল উন্নয়ন প্রকল্পের সাফল্য প্রতিফলন
বসতভ ট উ চ কর ভ গ – গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার রতনপুর গ্রামে অদ্ভুত একটি কাহিনী শুরু হয়েছে জামফুল বেগমের মাধ্যমে। গত কয়েক বছর ধরে তাঁর পরিবার বন্যার ঘন ঘন আক্রমণে সর্বস্ব হারিয়েছিল। বসতভিটা উঁচু করে স্থায়ী সুবিধা পেয়া হয়েছে তাঁর জীবনে একটি নতুন মুখ খুলেছে। বন্যায় ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়ার আতঙক থেকে মুক্তি পেয়া হয়েছে তাঁর পরিবার, যেটি বসতভিটা উঁচু করার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।
গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রকল্পের ফলে স্থায়ী সুবিধা পেয়া হয়েছে
জামফুল বেগমের পরিবার ছয় সদস্যের। বন্যা আসার সময় তাঁদের বাড়ি এবং গৃহ সম্পত্তি বন্যার তীরে ভেসে যেত এবং আঙিনায় সবজি চাষ করা সম্ভব হত না। সেই কষ্টকর সময়ে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) এবং আরও কয়েকটি সংস্থার সাহায্যে বসতভিটা উঁচু করার কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্প দ্বারা তাঁদের সম্পত্তি রক্ষা করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাস্তবায়ন এর মাধ্যমে স্থায়ী সুবিধা অর্জনে সাহায্য করা হয়েছে।
বসতভিটা উঁচু করার পর পতিত জায়গায় মৌসুমি সবজি চাষ শুরু করেন জামফুল বেগম। এই প্রকল্পের আওতায় তিনি উন্নত মানের বীজ পেয়েছেন এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এই সাহায্যে তাঁর কাছে স্থায়ী আয়ের নতুন উৎস সৃষ্টি হয়েছে। বসতভিটা উঁচু করে তাঁর সম্পত্তি নিরাপদ হয়েছে এবং তাঁর পরিবার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম ঘটনা হিসেবে তাঁর ঘুরে দাঁড়ানো দেখা যাচ্ছে।
বন্যা থেকে মুক্তি পেয়া হয়েছে আর ব্যবসা করা শুরু হয়েছে
বর্তমানে জামফুল বেগমের বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন প্রকার পুষ্টিকর সবজি শোভা পাচ্ছে। লাউ, পুঁইশাক, ঝিঙা, চিচিঙ্গা এবং করলা অন্যান্য সবজি মিশে তাঁর আয়ের নতুন উৎস গঠন করেছে। স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে তাঁর পরিবারের। বসতভিটা উঁচু করার ফলে তাঁর আর্থিক �