প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক বেইজিং সফর ঘিরে ১৭ দলিলের আয়োজন | সংবাদ
প রধ নমন ত র র ঐত – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর বাংলাদেশ এবং চীনের কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে। এই সফর দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার উন্নয়ন এবং ভাবপ্রবাহ নির্মাণের একটি বিশাল উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বহুল প্রতীক্ষিত সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারকের পাশাপাশি একটি কর্মপরিকল্পনা ও একটি প্রটোকল অনুমোদনের প্রত্যাশা রয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, “এই সফরে সই হওয়া দলিলগুলো বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বকে নতুন স্তরে পৌঁছে দিবে।”
সফরের প্রকৃতি দেশের আর্থিক সংকট মোচনে ও সম্পদ সঞ্চয় বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর দলের সদস্য সংখ্যা কমানো হয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, “মালয়েশিয়া সফরে ২৭ জন এবং চীন সফরে ২৮ জন প্রতিনিধি থাকবে। আমরা দলের আকারকে যৌক্তিক ভাবে স্থির করেছি।”
সফরের পরিকল্পনা অনুযায়ী রবিবার বিকেলে কুয়ালালামপুরে যাওয়ার আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হবে। সোমবার বিকেলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের পরামর্শে বেইজিং পৌঁছানো হবে। দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ‘সামার দাভোস ফোরাম ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা হয়েছে, যেখানে বিশ্বের আর্থিক গতিপথ আলোচনার সূত্রপাত হবে।
পরবর্তী তারিখ অনুযায়ী, ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক এবং ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাক্ষাৎ ঘটবে। এই মিশনে বাণিজ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগের নতুন প্রসার ঘটবে। আগামী শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফেরত আসার কথা রয়েছে।