পারিবারিক কলহ হতাশার কারণে পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেন
প র ব র ক কলহ র ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে একজন পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোর পাঁচটার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকদের পরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় বিস্মিত হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক জানান, তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরিবারে আপন কলহের জেরে এ ধরনের গুরুতর ঘটনা ঘটেছে।
পরিবারের কলহের বিস্তারিত বিবরণ
নিহত সাইদুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া উত্তর চাঁদপুর গ্রামে মো. সাদেকের ছেলে। তিনি মাত্র নয় মাস আগে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে চাকরি শুরু করেন। তার চাচা মো. সোহাগ জানান, পরিবারে আপন কলহ বাড়ছিল এবং পুলিশ কনস্টেবল হতে হতাশার কারণে তিনি বিষণ্ণ হয়ে আসছিলেন। সাইদুল ইসলামের বৈবাহিক জীবন ও কর্মজীবন দুটি ক্ষেত্রে কলহের চাপ তাকে ধীরে ধীরে বিপর্যয়ে ফেলেছিল। পারিবারিক কলহ হতাশার কারণে তিনি আত্মহত্যার প্রতিশ্রুতি দেন।
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইন্সের ২০ তলা ভবনের সপ্তম তলায় নিজের রুমে সিলিং ফ্যানের সাথে বিছানার চাদর পেঁচিয়ে তিনি ফাঁস দেন। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আত্মহত্যার কারণে পারিবারিক কলহ এখনও জেরে রয়েছে এবং এ ঘটনা সম্পূর্ণ পরিবারের জন্য একটি ধক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংবাদ প্রকাশের পর পরিবারের সদস্যদের কাছে পারিবারিক কলহ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। তাদের মতে পারিবারিক কলহ তিনি অনেক দিন ধরে সহ্য করেছিলেন। এই কলহ তার চাকরি শুরু করার পর যথেষ্ট কষ্ট করেছিল। তিনি কনস্টেবল হিসেবে কাজ করছিলেন কিন্তু কলহ বাড়ছিল এবং মন স্থিত হয়ে রয়েছিল। পারিবারিক কলহ হতাশার কারণে তিনি কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হন।
তদন্ত করা হচ্ছে এবং পারিবারিক কলহ গুরুতর ঘটনার প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল কিন্তু পরিবারে কলহের চাপ তাকে সম্পূর্ণ আত্মহত্যার পথে নিয়ে যায়। পারিবারিক কলহ হতাশার কারণে তার মানসিক স্থিতিতে পরিবর্তন হয়। তার স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে পারিবারিক কলহ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আত্মহত্যার ঘটনার প্রতিক্রিয়া
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আত্মহত্যার ঘটনার পর পরিবার এবং স্থানীয় মানুষের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। এ ঘটনার প্রতি সাধারণ মানুষ ভাবে বিষণ্ণ হয�