বরিশালের না ধরলে চাকরি থাকবে না হত্যাকান্ড
তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তার জবানবন্দি
ন ধরল চ কর থ কব ন – বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করার প্রক্রিয়া নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার জবানবন্দি প্রকাশ করা হয়েছে। আসামি কবির মোল্লার পরিবর্তে না ধরলে চাকরি থাকবে না বলে পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ কর্মকর্তাদের হুকুম দেন। সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নির্দেশে তিনি আসামিদের ধরতে বাধ্য করেন।
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত অনুযায়ী না ধরলে চাকরি থাকবে না বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়। এসআই খলিলুর রহমান জবানবন্দি দিয়ে বলেন, “পুলিশ সুপার মহোদয় আমাদের যে কোনো মূল্যে না ধরলে চাকরি থাকবে না বলে হুকুম দেন। আসামিদের ক্রসফায়ারে হত্যা করার প্রক্রিয়া আমাদের জানানো হয়েছে।” এ কে এম এহসানউল্লাহ সূত্রে জানা যায়, ক্রসফায়ার হত্যাকান্ডের জন্য বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার তৎকালীন ওসি মনিরুল ইসলাম এবং এসআই মো. নজরুল ইসলাম কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ও হত্যার প্রক্রিয়া
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত অনুযায়ী না ধরলে চাকরি থাকবে না বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার এহসানউল্লাহ ক্রসফায়ারে হত্যা করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলাম এবং এসআই মো. নজরুল ইসলাম কর্মকর্তাদের সহায়তায় হত্যার কাজ করেছে। কবির মোল্লাকে রাত দেড়টার দিকে আশুলিয়ার কুরগাঁও থেকে ধরা হয়, পরে তাকে বরিশালে নিয়ে গিয়ে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
“না ধরলে চাকরি থাকবে না এবং পুলিশ সুপার মহোদয় আমাদের কোনো মূল্যে আসামিদের ধরতে হবে। এই হত্যাকান্ডে মূল আসামি হলো সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। তিনি নিজে গ্রেপ্তার করার আদেশ দেন।”
এসআই খলিলুর রহমানের জবানবন্দি অনুযায়ী না ধরলে চাকরি থাকবে না বিষয়টি নিয়ে আরও প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। কবির মোল্লাকে ধরার পর তার পরিচয় ও প্র