দাপুটে স্পেনের সামনে অসহায় ফ্রান্স
দ প ট স প ন র – বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপে স্পেন অপূর্ব প্রতিভা দেখাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে শুরু থেকে বল বিস্তারের পরিকল্পনা করে খেলেছে তারা। ম্যাচের ২১ মিনিটে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিগনের পায়ে ভুল ঘটে এবং স্পেনের অধিনায়ক মিকেল ওয়ারজাবালের পেনাল্টি থেকে ক্লিয়ার করে এক গোল করে দেন রেফারি।
আদ্রিয়ান রাবিওর দূরপাল্লার শট থেকে বিশ্বকাপে স্পেনের দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত রাখেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ডি-বক্সে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি লামিন ইয়ামালকে ফাউল করে স্পেনকে প্রথম গোলে এগিয়ে দেন। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে এক আসরে সর্বোচ্চ ৫ গোল করার রেকর্ডে নাম লিখেছেন।
টুর্নামেন্টের প্রথমার্ধে স্পেন বলের নিয়ন্ত্রণ প্রায় ৬০ শতাংশ সময় ধরে রাখে। ফ্রান্সের আক্রমণগুলো স্পেনের রক্ষণভাগে বাধা পায়।
ম্যাচের প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ৬ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেয়া হয়। বিরতির পর ফিরেও স্পেন আক্রমণের ধার অব্যাহত রেখেছে। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে দানি ওলমো এবং লামিন ইয়ামালের সমন্বয়ে গড়া আক্রমণ থেকে পেদ্রো পোরো নিখুঁত শটে দ্বিতীয় গোল করে দেন। এই গোলে স্পেন ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
ম্যাচে ফেরার লক্ষ্যে দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম একাধিক পরিবর্তন আনেন। হলুদ কার্ড দেখা আদ্রিয়ান রাবিওকে তুলে মানু কোনেকে এবং ব্র্যাডলি বারকোলাকে তুলে দেজিরে দুয়েকে মাঠে নামানো হয়। ফ্রান্স সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও তাদের বেশি কিছু আক্রমণ ব্যর্থ হয়।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলা ডি-বক্সে ঢুকে পড়ে কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন বল ক্লিয়ার করে। এর আগে ম্যাচের ৫২ মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। অন্যদিকে ম্যাচের ৪২ মিনিটে দানি ওলমো এবং লামিন ইয়ামালের সমন্বয়ে গড়া আক্রমণ থেকে ফাবিয়ান উইজ ফিনিশিং দিতে ব্যর্থ হন।