থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না! | সংবাদ
পুলিশ অভিযানে ধরা পড়েন হাসিনা বেগম
থ ন থ ক প ল য় – থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না! মাদারীপুর সদর মডেল থানার বাসিন্দা হাসিনা বেগম (৩৫ বছর বয়স) পুলিশ সূত্রে জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি গ্রেপ্তার হন। তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হলেও মূল থানা ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় ওসির বাসভবনে তার অস্থায়ী হাজত হয়। সেই দিন আদালত মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়, কিন্তু পরের দিন রাতে তিনি জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। সোমবার (১২ জুলাই) শামুক পুলিশ সদস্যদের একটি বিশেষ অভিযানে তাকে পুনরায় ধরা পড়ে। এই ঘটনা অনেকের কাছে বিস্ময় কারণে আসে।
হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার বাসিন্দা এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিন বেগমের স্ত্রী। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেরানীগঞ্জে কাজ করেন। পুলিশ জানায়, আগে থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় তার আরো কয়েকজন সহযোগী নির্দোষ হিসেবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা তাকে পুনরায় ধরতে সাবধানতা নিয়ে কাজ করি। তার অস্থায়ী হাজতে অনেকটা স্বাধীনতা ছিল, কিন্তু পালিয়ে যাওয়ার পর তা বাতিল হয়।
আদালতের নির্দেশে হাসিনা বেগমকে আদালতের আদেশ অনুসারে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মূল থানার জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সামনে আসে। পুলিশ তদন্ত কমিটি বিশেষ অভিযানে তাকে পুনরায় ধরে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এই ক্রমে তিনি আবারও থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর শেষ রক্ষা হয়নি। আরেকটি মূল সূত্র থেকে জানা গেল যে তিনি কারাগারে প্রবেশ করেছেন পুনরায়।
তদন্ত কমিটি পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান প্রধান করে গঠন করা হয়। ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পুনরায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাসিনার স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দিত হয়েছেন। এটি থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবেদনে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানান যে সরাসরি অভিযোগ প্রতিষ্ঠান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি মূল থানা ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু নির্মাণাধীন অবস্থায় তার অস্থায়ী হাজত হয়। সেই অবস্থায় তিনি রাত দেড়টার দিকে জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। সোমবার শামুক পুলিশ সদস্যদের সহযোগে তাকে আবারও ধরা পড়ে।
পুলিশ অভিযানে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। হাসিনার পালিয�