তথ্য অধিকার মানছে না রংপুর এসপির কার্যালয়
তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে চার মাস হয়ে গেল
তথ য অধ ক র ম নছ – তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে চার মাস হয়ে গেলেও রংপুর পুলিশ সুপার কার্যালয় কোনও তথ্য প্রদান করেনি। আইন অনুযায়ী আবেদনপত্র পাওয়ার ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করা ছিল বাধ্যতামূলক, কিন্তু কার্যালয়টি তা মানছে না। আবেদন পাওয়ার ৬ দিনের মধ্যে তথ্য দেওয়ার সময়সূচী জানানো ছিল বাধ্যতামূলক, তবে কার্যালয়টি তা পালন করেনি। এ বিষয়ে আইন মেনে চলার প্রতিকূল পরিস্থিতি বর্তমান।
আবেদনে প্রাপ্ত তথ্য কী ছিল?
রংপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিগত তিন বছরের অডিট আপত্তি, যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামতের ব্যয়ের বিবরণ এবং রংপুর পুলিশ লাইনের মাঠ ‘স্বপ্ন’ প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দের আদেশ ও ভাড়ার বিবরণ চাওয়া হয়েছিল। লিয়াকত আলী বাদল এ আবেদন করেন ১০ মার্চ তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ৮ ধারার অধীনে। আবেদনপত্রটি ১২ মার্চ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে কার্যালয়ে পৌঁছায়, কিন্তু কোনও তথ্য প্রদান করা হয়নি। আইন অনুযায়ী তথ্য অধিকার মানছে না কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
আপিলের পরও কোনও প্রতিকার মেলেনি
১৩ এপ্রিল তথ্য অধিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির কাছে আপিল করা হয়। ডিআইজি কার্যালয় আবেদনটি ১৯ এপ্রিল গ্রহণ করে, কিন্তু এক মাস পার হওয়া সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আপিল গ্রহণ বা বাতিল হওয়ার খবর প্রদান করেনি। এটি বুঝায় যে তথ্য অধিকার আইন কার্যালয়ে প্রয়োগ করা হয়েছে না।
তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদনপত্র পাওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে তথ্য প্রদান করা ছিল বাধ্যতামূলক, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। এটি আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে এসপি কার্যালয়ের প্রতি তথ্য অধিকার মানছে না বিষয়টি প্রমাণ করে।
তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগের সময়সূচী কী ছিল?
রংপুর পুলিশ সুপার কার্যালয় আবেদন পেলে তথ্য �