ডাসার উপজেলার বিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে বিক্ষোভ
ড স র শ ক ষক র – বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি এবং অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা কাজীবাকাই ইউনিয়নের স্থানীয় শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ প্রকাশ করে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অপসারণের দাবি তুলে ধরা হয়েছে।
অভিযোগের পটভূমি
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেওয়া শিক্ষক আজাদ হোসেন হাওলাদার ছাত্রীদের পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেছেন। প্রাইভেট পড়ানোর সময় তিনি ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব দেন এবং আপত্তিকর আচরণ করেন। অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষেও তার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
“কয়েকজন শিক্ষার্থী থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। বিক্ষোভের কারণে তিনি আজ বিদ্যালয়ে আসেননি।”
প্রতিবাদের সময় ছাত্ররা অভিযুক্ত শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জোগাড় করেছে। তাদের মতে, শিক্ষক সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি হয়েও যে আচরণ করেছেন, তা ক্ষমার অযোগ্য। উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
তদন্তের প্রস্তাব
অভিযোগ বিষয়ে তদন্তে উপজেলা প্রশাসন তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামানকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
“শিক্ষার্থীদের অভিযোগটি গুরুত্বপূর্ণভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযুক্ত শিক্ষক আজাদ হোসেন হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।”