Bangladesh

ট্রাইব্যুনালে অঝোরে কাঁদলেন ভুক্তভোগী | সংবাদ

Techtaranga.com_1200x630_17816319798794_social

বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

যশোরের চৌগাছা থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা চালু

Banglabeacon.com – ট র ইব য ন ল অঝ – মঙ্গলবার (১৬ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের আদালতে মামলার আবেদন পেশ করা হয়। দায়ের করা মামলায় বর্ণিত ঘটনার পরিচয় পেশ করেন প্রসিকিউটর মো. আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। এ মামলার সাক্ষ্যদানের জন্য উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ওমর ফারুক, জহিরুল আমিন, শাইখ মাহাদী ও উদয়।

বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার অন্যতম আপসী মো. ইসরাফিল হোসেন সাক্ষ্য দেন। তিনি বর্ণনা করেন যে তাঁর বাম পা কেটে ফেলা হয়েছিল। আদালতে অবস্থান করে ন্যায়বিচার চাইতে তিনি বলেন, “আমি কিছু হারাই না। পায়ে আঘাত পেলে অপরাধীদের কথা আমি বলতে পারি।”

রুহুল আমিন ও আমি মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলাম যখন পুলিশ আমাদের আটক করে। ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বিকেলে ওসি মশিউর রহমানের রুমে নিয়ে আমাদের চর, থাপ্পড়, কিল-ঘুষি ও বুট দিয়ে আঘাত করা হয়। রাত ১১টার পর আমাদের ব্রেন ওয়াশ করার জন্য সাজ্জাদকে আদেশ দেয়া হয়।

গুলি করার ঘটনা তিনি বর্ণনা করেন, “গুলির শব্দ শুনে সেখানে ওসি মশিউর রহমান বলেন, ‘ফায়ার অফ’। পরে সাজ্জাদ ও জহুরুল হককে বিকট শব্দে গুলি করা হয়। আমার বন্ধু রুহুল আমিন মাগো বলে চিৎকার করেন। আমার পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পুলিশ আমার বাঁধন খুলে দেয় এবং ধুলাবালি আমার ক্ষতস্থানে মেখে গামছা দিয়ে বেঁধে দেয়।”

সাক্ষ্য দেওয়ার সময় ইসরাফিল হোসেন বলেন, “পায়ে পচন ধরে যাওয়ার পর আমার বাম পা হাঁটুতে কেটে ফেলা হয়।” তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল যা পরে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। সাক্ষী তাদের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার জন্য তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান ও ওসি মশিউর রহমানের সাথে পাঁচ আসামি জড়িত রয়েছে।

সাক্ষ্য দিয়ে তিনি আদালতে জানান, শিবির নেতারা পুলিশের প্রতি হাতবোমা নিক্ষেপ করেছিল এবং পুলিশ সদস্য আহত হয়েছিল কি না তা নিয়ে আইনজীবী প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন, “হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়নি। কনস্টেবল সাজ্জাদ ও জহিরুলকে আমাদের সাথে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল এটাও সত্য নয়।”

মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৫ জুন কার্যক্রমের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমানকে এবং তার আগে এসআই আকিকু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *