টিকটকার স্ত্রীর ‘পরকীয়া’, স্বামীর আত্মহত্যায় নতুন মোড়
নিহত সজল কুমার দেউরীর পরিবার অভিযোগ দাঁড়াচ্ছে
ট কটক র স ত র র – পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় স্ত্রী ও স্বামীর মধ্যে দাম্পত্য বিরোধের পরিণতি হিসেবে এক গার্মেন্টসকর্মী আত্মহত্যা করেন। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাটিং মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তার এক কন্যাসন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় আত্মহত্যা করেন। তার ছোট ভাই তুহিন দেউরী দাবি করেন, ভিডিও কলে পরিবারের বিরোধ তীব্র হওয়ার পর তার স্বামী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত কলেজছাত্রের পরিবারকে হয়রানি থেকে বাঁচাতে আশ্বাস দিয়ে ৪০ হাজার টাকার একটি চেক গ্রহণ করা হয়েছে।
চেক নেওয়ার বিষয়ে নতুন দাবি
নেছারাবাদ থানার স্থানীয় বাসিন্দা মো. লিটন দাবি করেন, কয়েকজন অচেনা ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় গ্রহণ করে শোভন বেপারীর বাড়িতে গিয়ে টাকা দাবি করেন। শোভনের পরিবার নগদ টাকা না পেলে চেকটি দিয়ে প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ব্যক্তিদের কলেজছাত্রের নামে চেকটি ইস্যু করা হয়। অতঃপর ১ জুলাই ব্যাংক বন্ধ হওয়ার পর ব্যক্তিরা চেকটি নিয়ে যান। বর্তমানে তারা টাকার জন্য শোভনকে চাপ দিচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মনোজ ঢালী বলেন, শোভন বেপারী ও রঞ্জিতা হালদারের সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই গুঞ্জন ছিল। ঘটনার পর দুজনই এলাকা ছেড়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। চেক নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আলোচনার বিষয় হয়েছে।
পরিবারের আরও বিবরণ
শোভন বেপারীর বাবা ভূপাল বেপারী দাবি করেন, সজলের মৃত্যুর পর তিনি ছেলে ও রঞ্জিতার সম্পর্কের বিষয়ে জানতে পারেন। পরে কয়েকজন ব