Bangladesh

গ্যাসের মজুদ ‘ফুরিয়ে আসছে’, চলবে আর ‘৮ বছর’

গ্যাসের মজুদ প্রায় ৮ বছর চলবে গ য স র মজ দ ফ - বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের তথ্য অনুযায়ি দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের বর্তমান

Desk Bangladesh
Published June 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গ্যাসের মজুদ প্রায় ৮ বছর চলবে

গ য স র মজ দ ফ – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের তথ্য অনুযায়ি দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের বর্তমান মজুদ প্রায় ৭ দশমিক ৬৩ টিসিএফ। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ঘটার কারণে বিপিসি প্রায় ১৭ হাজার ৩৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা লোকসান করেছে।

মজুদ গ্যাস কতদিন চলবে

নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না প্রতিদিন দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ফুরিয়ে আসছে। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয় এমপি মুহাম্মদ আব্দুল খালেকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে প্রতিদিন বিপিসি লোকসান হয়েছে প্রায় ৭৮ কোটি টাকা।

“মে মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এর পরও দেশীয় বাজারের তুলনায় বেশি। জুন মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের খরচ ১৭৫ টাকা ২২ পয়সা, অকটনের খরচ ১৬০ টাকা ৭০ পয়সা।”

প্রতিদিন বিপিসির লোকসান বৃদ্ধির কারণে মন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে অনেক কমে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করায় লোকসান সত্ত্বেও আমদানি কার্যক্রম সচল রেখেছে বিপিসি।”

কয়লার উৎপাদন প্রস্তুতি

কয়লা শুধু বড়পুকুরিয়া থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিসেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “দেশে আবিষ্কৃত কয়লা ক্ষেত্র পাঁচটি। সেগুলো হলো বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ি, দিঘীপাড়া, খালাসীপাড়া ও জামালগঞ্জ। এর মধ্যে শুধুমাত্র বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র থেকে ২০০৫ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে।

গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে

এলপিজি সহজলভ্য হওয়ায় আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালুর আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি বলে জানান মন্ত্রী। এলএনজি ঘাটতি থাকায় ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই থেকে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিএনজি শ্রেণিতে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম

সচল ১৩৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট। চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি শাহাজাহান চৌধুরীর প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, “সব কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র অবসরে পাঠানো হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস্য থেকে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।”

২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ছিল প্রায় ৭ দশমিক ৬৩ টিসিএফ বলে তিনি জানান। আটটি গ্রাহক শ্রেণির অনুমোদিত গ্যাস লোডের ভিত্তিতে দৈনিক গ্যাস চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০�

Leave a Comment