Bangladesh

গ্যাসের মজুদে চলবে আর ৫ বছর, এরপর কী হবে? | সংবাদ

গ য স র মজ দ চলব - বাংলাদেশে গ্যাসের মজুত ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বড় আকারের নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের খবর না থাকায়

Desk Bangladesh
Published August 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Techtaranga.com_1200x630_17866363638213_social
Foto : Susan Brown - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. গ্যাস সংকট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: মন্ত্রীর ঘোষণা ও সিপিডির প্রতিবেদন
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

গ্যাস সংকট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: মন্ত্রীর ঘোষণা ও সিপিডির প্রতিবেদন

Banglabeacon.com – গ য স র মজ দ চলব – বাংলাদেশে গ্যাসের মজুত ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বড় আকারের নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের খবর না থাকায় শিল্প, বিদ্যুৎ ও আবাসিক খাতে চাহিদা বাড়ার ফলে সরবরাহ ও চাহিদার ব্যবধান দ্রুত বাড়ছে। বর্তমান হারে গ্যাস ব্যবহার অব্যাহত থাকলে এই সমস্যা আরও গভীর হবে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এই তথ্যগুলো বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় তুলে ধরে।

মন্ত্রীর বক্তব্য ও সমাধানের পথ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অনলাইনে যুক্ত হয়ে দেশের শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলমান গ্যাস-সংকট নিরসনে সরকারের সীমিত সামর্থ্য ও বর্তমান কাঠামোগত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) মেরামত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আপাতত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং অপেক্ষা করা ছাড়া এখন আর কোনো উপায় নেই।

এইটুকুই বলতে চাই, উই আর ওয়ার্কিং…এই ক্রাইসিসের সময় আসলে এখন আমার কিছু করার নাই। কারণ, এখন আমি গ্যাসও উত্তোলন করতে পারব না বা উইদাউট এফএসআরইউ, আমার যে গ্যাস আছে, সেটাও নামাতে পারব না।

গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ সংকট বিবেচনায় ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি ‘ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট’ (এফএসআরইউ) বা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পায়রা, মোংলা ও হিরণ পয়েন্টে নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান নিয়ে কাজ চলছে।

গ্যাস চাহিদা ও সরবরাহের পরিসংখ্যান

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে প্রায় ১৬০ থেকে ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে আসে ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য বর্তমানে বাংলাদেশের মহেশখালীর উপকূলে দুটি এফএসআরইউ রয়েছে- একটি সামিটের অন্যটি এক্সিলারেটের। আগুন লাগার কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় সেই সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়। মেরমতের মাধ্যমে একটি ইউনিট চালু করা গেলেও অপরটি এখনো বন্ধ রয়েছে।

এফএসআরইউটি মেরামতের পর এর দুটি বয়লারকে সমন্বিতভাবে চালু করতে আরও ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হবে। ফলে ওই সময়ে গ্যাস সরবরাহে আবারও বড় ধরনের সাময়িক ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

বিদ্যুৎ খাতে পরিবর্তন ও সমস্যা

চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে বক্তব্যে মন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতির জন্য শিল্পোদ্যোক্তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। দেশে বিদ্যুতের চাহিদার ‘ধরন’ বদলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকত। এখন মধ্যরাতেও চাহিদা বেশি থাকে। আগের দিন রাত ১২টার দিকে দেশে প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল জানিয়ে এর কারণ হিসেবে রাতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জ দেওয়ার প্রবণতার কথা বলেন মন্ত্রী।

এলএনজি টার্মিনাল এসব বাহনকে ‘গরিবের টেসলা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা রাতে চার্জে বসে। এসব চার্জিংয়ের বড় অংশ অবৈধ সংযোগে চলে।’ অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের বাধা ও হামলার মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

সিপিডির বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

গ্যাসের মজুত ‘সংকটজনক পর্যায়ে’ সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ফখরুল আল কবির অনুষ্ঠানে গ্যাসের বর্তমান চাহিদা ও সরবরাহ এবং মজুদ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় ছয় দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করে বলা হয়, ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে গ্যাসের মোট ব্যবহার প্রায় ৩০ ট্রিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে অবশিষ্ট গ্যাসের মজুত প্রায় নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমান হারে গ্যাস ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ২০৩০-এর দশকের শুরুতেই মজুত সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ পরিস্থিতিতে গ্যাস সংরক্ষণ ও দেশে নতুন গ্যাসের অনুসন্ধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

উপস্থাপনায় বলা হয়, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক। এ ছাড়া কয়লা ও ফার্নেস অয়েলের ওপরও উল্লেখযোগ্য নির্ভরতা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জ্বালানিমন্ত্রী দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা এবং বেসরকারি খাতে তেল আমদানির সুযোগ দিতে নীতিমালা তৈরীর উদ্যোগের কথাও জানান। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) দ্রুত খননকাজ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান সক্ষমতা বাড়াতে আরও দুটি রিগ আনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।’

গ্যাসক্ষেত্র বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সম

Frequently Asked Questions

What is গ য স র মজ দ চলব?

গ য স র মজ দ চলব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does গ য স র মজ দ চলব matter?

গ য স র মজ দ চলব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment