গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের পাম্প সচল রাখতে ১২০০ কোটি টাকার নতুন উদ্যোগ
Banglabeacon.com – গঙ গ কপ ত ক ষ স – বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় আধুনিক সেচ প্রকল্প হিসেবে পরিচিত গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পটি পদ্মা নদী থেকে পানি সংগ্রহ করে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার বিস্তৃত কৃষি জমিতে সেচ ব্যবস্থা প্রদান করে। এটি ১৯৭ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল দিয়ে পানি প্রেরণ করে এবং প্রায় ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে কাজ করে। সেচ প্রকল্পটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করছে, যার কারণে ধান সহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন এবং গ্রামীণ জীবিকা নির্বাহে অসাধারণ প্রভাব রয়েছে। এখন প্রকল্পটি পুনর্গঠনের জন্য ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু হয়েছে, যা পাম্প সচল রাখার জন্য নতুন উদ্যোগ হিসেবে স্থাপিত হয়েছে।
প্রকল্পের চালু রাখার সমস্যা এবং সমাধান
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের সম্পূর্ণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে, কারণ উজান থেকে পানি তুলে নিয়ে যাওয়ার কারণে পদ্মার পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন যে পানি গ্রহণ চ্যানেলে কমপক্ষে ৩.৯ মিটার জলস্তর প্রয়োজন, যা বর্তমানে ২.৫ মিটারে সীমিত হয়েছে। এটি হালকা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিচালনার স্তর কমানো হচ্ছে এবং যদি সেই স্তর দেড় মিটারে নীচে নেওয়া সম্ভব হয়, তবে উজান থেকে পর্যাপ্ত পানি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তন সম্পর্কে প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, এটি গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের ব্যবস্থাপনাকে সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে ক্রমশ সফল হবে।
খালে পলি জমা এবং অবকাঠামোর সমস্যা
প্রকল্পটি আগে প্রায় ১,৯৭,৫০০ হেক্টর এলাকায় কাজ করেছিল, কিন্তু দীর্ঘদিনের পুরোনো অবকাঠামো এবং খালে পলি জমা কারণে আজ তা মাত্র ৫৫,০০০ হেক্টরে সীমিত হয়ে এসেছে। এই দুর্বলতার কারণে পাম্প সচল রাখার প্রয়োজনীয় হয়েছে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প বিশেষ করে খালে জলস্তর নিয়ন্ত্রণ এবং বিস্তার পরিচালনার জন্য উদ্যোগ করছে।
নতুন উদ্যোগটি সেচ প্রকল্পের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য বিশেষ করে পাম্প সচল রাখার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত। এই প্রকল্পটি কুষ্টিয়া এবং মাগুরা জেলার বিশাল কৃষি এলাকার জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি ধান সহ অন্যান্য প্রধান ফসল বৃদ্ধির জন্য একটি উপাদান হিসেবে কাজ করে। বর্তমান অবস্থায় খালে জলস্তর হ্রাস হওয়ার কারণে প্রকল্পের বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।
