কর্মসংস্থানের অভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেননি তারা
কর মস স থ ন র অভ – পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির সদস্যরা বিগত সরকারের আমলে আত্মসমর্পণ করেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। কর্মসংস্থান ব্যবস্থা অসম্পূর্ণ থাকার কারণে তারা আবার পুরোনো কর্মপন্থায় ফিরে যাচ্ছেন বলে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান।
বিচ্ছিন্ন গ্রুপগুলি সক্রিয় হয়েছে
গত দুই মাস ধরে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর এবং রাজশাহীর বাঘা এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করা গ্রুপগুলি আবার কাজ শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্র বলে পাবনা সদর থানাধীন মাসুম বাজারের সামনে গত ৮ জুন রাতে হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে তিনটি গুলি তার বুক ও পিঠে বিদ্ধ হয়। চিকিৎসকদের দেখাদেখি তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অতীতে সর্বহারা ও চরমপন্থীদের একটি আদর্শ ছিল। কিন্তু এখন তাদের কোনো আদর্শ নেই। তারা এখন এলাকার নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি করতে চাইছে। ঈশ্বরদী, লালপুর এলাকায় তাদের প্রভাব বিস্তার দেখা যাচ্ছে।
“সর্বহারা পরিচয় দেয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা ১৫০ থেকে ২০০ হবে। তারা আধিপত্য বিস্তারে নামছে এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলে লিপ্ত।”
রাজশাহী বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এ বিষয়ে আগের আমলে অনেকে আত্মসমর্পণ করলেও কর্মসংস্থান হয়নি। মামলা প্রত্যাহার না করার কারণে তারা পুরোনো পথে ফিরে যাচ্ছে। তাদের উপস্থিতিতে স্থানীয় বাসিনদের কিছু কিছু উদ্বিগ্ন।
পুলিশ সদর দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে বর্তমানে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দরকার হলে এলাকাভিত্তিক ঘেরাও করে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
“যিনি অপরাধ করেন, তারা কোনো দল থাকতে পারে না। আমরা অপরাধিকে অপরাধি হিসেবে দেখি। দেশের প্রচলিত আইন মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এতে শৈথিল্যের কোনো সুযোগ নেই। পুলিশের আইজিপিসহ সব স্তরের এই নির্দেশনা পালন দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”
গত এক থেকে দেড় মাসে অন্তত দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সর্বহারা সদস্যরা। তাদের কাছ থেকে পিস্তল সহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। কারও কারও বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা