এমবাপের ম্যাজিকে সুইডেন চূর্ণ: শেষ ষোলোয় দাপুটে ফ্রান্স | সংবাদ
বিশ্বকাপের তীব্র প্রতিযোগিতায় ফ্রান্স সুইডেনকে ছেলেখেলা করে মোহিত করেছিল
এমব প র ম য জ ক – বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বে এমব পরম্পরায়িক প্রতিযোগিতায় সুইডেনকে এমবাপের সুন্দর মার দ্বারা দাপুটে বিদায় নিতে হয়েছিল। নকআউট পর্বের জন্য প্রতিযোগিতা ক্রমবর্ধমান হয়েছিল, যার সাথে সুইডিশ রক্ষণ ভাগ বাতিল করতে পারেনি। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের দুটি গোল এবং ক্রীড়ার নিয়ন্ত্রণ দ্বারা দেশটি শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। সুইডেন প্রথম দুর্দান্ত হারে রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল, যা তাদের ১৯৯০ সালের পর প্রথম দ্রুত বিশ্বমঞ্চ থেকে বিদায়।
স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে সুইডেন কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ফ্রান্স ক্রমবর্ধমান গতি নিয়ে গেল। প্রথমার্ধে এমবাপের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল না হলে বা মাইকেল অলিজের দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসলে বিরতির আগেই ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যেত। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সুইডেনের রক্ষণ ভাগ ভেঙে এমবাপে একটি সুন্দর শটে জাল কাঁপিয়েছেন। এই গোলের মাধ্যমে ফ্রান্স স্পষ্ট পরিচয় দিয়েছিল যে তারা এমব পরম্পরায়িক স্পেশিয়ালিস্ট ব্যবহার করে আসরে ক্রমবর্ধমান হার বাড়াচ্ছে।
ফ্রান্সের প্রথম গোল ও সংগ্রামের পরিচয়
দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স আরও গতি নিয়ে চলে। ব্র্যাডলি বারকোলা মাইকেল অলিজের থ্রু পাসের কারণে ফ্রান্স প্রথম গোল স্থাপন করে। এই মুহূর্তে এমব পরম্পরায়িক রাকিম বাইসাইকেল কিক দ্বারা মাঠ জয় করে। তারপর ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে আবার অলিজের পাসের সাহায্যে এমবাপে দ্বিতীয় গোল করেন। এই গোলের মাধ্যমে তিনি তার বিশ্বকাপ গোলের মোট সংখ্যা ১৮ করে তোলেন, যা চলতি আসরে তার ষষ্ঠ গোল। এই সাফল্যের ফলে ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে চলে যেতে সক্ষম হয়েছে, আগামী রোববার ফিলাডেলফিয়ায় প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে তারা।
বিশ্বকাপ প্রাথমিক পর্বে এমব পরম্পরায়িক সাফল্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন, যার ফলে ফ্রান্স নিশ্চিত করেছে যে তারা সুইডেনকে পার করে গেছে। এই ম্যাচে অলিজ এবং বারকোলার সাহায্যে এমবাপের দুটি গোল বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অপরিসংখ্য বিজয় দেখায়। এই প্রতিযোগিতায় ফ্রান্স প্রথম দুর্দান্ত হারে প্রবেশ করেছে।
ফ্রান্সের অধিনায়ক এমবাপ সুইডেনের মাঠে অবিচ্ছেদিত গতি সৃষ্টি করেছিলেন। তার সামনে রাউন্ড অব ৩২ তে এমব পরম্পরায়িক সাফল্য দেখায় যে তারা মাঠে সর্বাধিক প্রভাব ফেলেছে। সুইডেন রক্ষণ ক্রমে ধ্বংস হতে থাকে, এবং ফ্রান্স নিশ্চিত করে যে তারা এমব পরম্পরায়িক ক্রীড়া সফল করেছে।
এই ম্যাচ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর। তারা সুইডেনের মাঠে এমব পরম্পরায়িক সাফল্য দেখায় �