ইরান চুক্তিতে হতাশ ইসরায়েল
ইর ন চ ক ত ত হত – ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির সম্মুখীন হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্তর্র্বতীকালীন চুক্তির শর্তগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর ইসরায়েল চরম হতাশা ও অবিশ্বাসের মধ্য দিয়ে দিন পার করছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এই বিষয়ে জানিয়েছে।
আঞ্চলিক আধিপত্য ও সামরিক স্বাধীনতা
দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তি ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন উদ্দেশ্য কোনও ভাবে প্রতিফলন করেনি। বরং এটি ইসরায়েলকে আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ দিনের মধ্যে মার্কিন বাহিনীকে ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। এই ধাপটি ইরানের পক্ষে আঞ্চলিক আধিপত্যের প্রতিনিধিত্ব করে এবং সামরিক স্বাধীনতার উপর বাধ্যবাধকতা আরও বাড়িয়েছে।
পরমাণু ইস্যু ও সম্পর্ক
ট্রাম্পের চুক্তির মূল উদ্দেশ্য পরমাণু ইস্যুর উপর বিশেষ করে ইরানকে বৈজ্ঞানিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করার জন্য ছিল। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরানি মিসাইল হামলার বিষয়ে সম্পূর্ণ পরে কথা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। নেতানিয়াহু ইরানের মূল লক্ষ্য থেকে সরে আসবেন না।
মিসাইল ও প্রক্সি মিলিশিয়া
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প ও লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের সমর্থন বন্ধের শর্ত এই চুক্তিতে রাখা হয়নি। বিশ্বাস করা হচ্ছে যে ইরান এই অংশে কোটি ডলার বিতরণ করতে পারবে। তার ফলে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।
বৈশ্বিক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া
১৮ জুন লিকুদ পার্টির ভেতরে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দলটির আইনপ্রণেতা হ্যানোচ মিলউইডস্কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করে বলেছেন, ট্রাম্প ইসরায়েলের সম্পর্কে নিজের ভাষায় সব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। ট্রাম্প ইরানকে শক্তিশালী করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
“ট্রাম্প ইসরায়েলের জন্য একটি ‘কূটনৈতিক ৭ অক্টোবর’ হিসেবে এই চুক্তিকে অভিহিত করেছেন। ইরানের কাছে এই চুক্তি এমন একটি বিপর্যয় যার জন্য তেহরান একেবারেই প্রস্তুত ছিল না।”
“আমরা নাকি এই অঞ্চলের মানচিত্র বদলে দিচ্�