অস্তিত্ব সংকটে দেশের প্রাণ-প্রকৃতি: আইন সংস্কারের দাবি
অস ত ত ব স কট দ – বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা প্রায় ২,৪১০টি বলে ধরা হলেও সরকারি হিসাবে তা ৪০৫টি মাত্র। এই অর্গানিক ম্যাটারের ঘাটতি বিপর্যয়ের ফলে মানুষের শরীরেও ৭৯ শতাংশ পুষ্টির অভাব দেখা দিচ্ছে। পরিবেশ রক্ষার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সরাসরি মামলা করার কোনো অধিকার নেই বলে গবেষক, পরিবেশবিদ ও পরিকল্পনাবিদরা আবেদন জানায়।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। আয়োজন করেন প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটি। সম্মেলনের শীর্ষক ‘অস্তিত্বের সংকটে প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ-প্রতিবেশ: উত্তরণের উপায় অনুসন্ধান’।
উন্নয়নের নামে পরিবেশের পতন
বক্তারা বলেন, উন্নয়নের নামে গত ৫৫ বছরে দেশের প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশকে ধ্বংস করা হয়েছে। বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে প্রভাবশালী মহল পরিবেশ ধ্বংসের উৎসবে শামিল। পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন দেশকে অনিশ্চিত অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে বলে তারা আরও প্রমাণ দেন।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, দেশে নদী সংখ্যা সুনির্দিষ্ট করা যায়নি। আর বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সংখ্যা ১,৪১৫টি বলা হলেও তা এখন গ্যাজেটভুক্ত হয়নি।
প্রাকৃতিক কৃষির গবেষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, দেশের ৫৬ শতাংশ মাটি এসিটিক। জিংক ও অর্গানিক ম্যাটার ঘাটতি প্রাপ্ত হয়েছে মাটিতে। ক্যালসিয়ামের ২৫ শতাংশ অভাব রয়েছে। ফলে মানুষের শরীরেও পুষ্টির অভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামের বাজারে প্রাণীদের ফার্মেসি বাড়ার অর্থ হলো প্রাণীকূলে উপাদানের অভাব দেখা দিচ্ছে।
‘আশ্চর্যজনকভাবে আমরা বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে গিয়ে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরিয়ে এখন আরও তিনটি নদীকে দূষিত করে ফেলেছি।’
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডিন আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, বায়ু ও শব্দদূষণে বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। তার ফলে মানুষের গড় আয়ু ৬ বছর কমছে। স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক ছায