জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সন্দেহভাজনের তথ্য চেয়ে পুরস্কার ঘোষণা পুলিশের
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিসিটিভি পরিদর্শন চালাচ্ছে
জ ব ত ধর ষণচ ষ ট – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠার পর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ দিয়ে অভিযুক্তের পরিচয় খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যার পরিচয়, অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট তথ্য জানলে পুলিশের (০১৩২০ – ০৮৯৩০৫) হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে বলে পুলিশ ঘোষণা করেছে।
প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনার দিন সন্ধ্যা থেকে প্রায় সোয়া চার ঘণ্টা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায় বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার সময়সূচি ও পথ নথি
গত মঙ্গলবার রাত ১১টার পর পুরাতন ফজিলাতুন্নেসা হল এবং আল-বেরুনী হলের সম্প্রসারিত অংশের সংলগ্ন এলাকায় এক ছাত্রীকে ঝোপে টেনে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। পরদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন।
রাত ৬টা ৫৮ মিনিটে ওই ব্যক্তি ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন বিশমাইল গেইট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় প্রান্তিক গেইটে পৌঁছান তিনি। রাত ৮টা ৭ মিনিটে চৌরঙ্গী মোড় দিয়ে মেডিকেলের সামনে প্রথমবার ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যান। তারপর রাত ৮টা ২৬ মিনিটে ট্রান্সপোর্ট এলাকায় ফিরে যান। আবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ঘটনাস্থলসংলগ্ন এলাকায় প্রবেশ করেন তিনি এবং রাত ৯টা ৩০ মিনিটে তার পাশ দিয়ে গেলে আবার ট্রান্সপোর্ট এলাকায় ফিরে আসেন।
সন্ধ্যা সোয়া ৭টা ৪৩ মিনিটে বিশমাইল গেইটে থেকে বের হন ব্যক্তি। রাত ৯টা ১৬ মিনিটে তিনি শহীদ সালাম-বরকত হল মোড়ে ফিরে আসেন। সেখান থেকে পুনরায় তার পাশ দিয়ে গেলে রাত ১১টা ১ মিনিটে ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে জানান প্রক্টর।
শিক্ষার্থীদের বিতাড়নের আহ্বান
সন্দেহভাজন ধরা পড়ার পরিণতি না পেয়ে শনিবার সকালে প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।